পীরগঞ্জে নির্মাণকাজে বাধা, থমকে গেছে সড়কের কাজ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পঠিত হয়েছে

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দরপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৭৭৫ মিটার দীর্ঘ ও ১০ ফুট প্রশস্ত সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু করা হয়। এ জন্য পীরগঞ্জ পৌরসভা ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। মেসার্স ইবতিদা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির প্রায় ৪০০ মিটার অংশের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে বাকি প্রায় ৩৭৫ মিটার অংশে নির্মাণসামগ্রী নেওয়ার পথে বাঁশের খুঁটি থাকায় কাজ এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আনারুল ইসলাম ও আকবর মিয়া ওই স্থানে নিজেদের জমি রয়েছে দাবি করে সড়কের মাঝখানে বাঁশের খুঁটি পুঁতেছেন। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করতে না পারায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, বড়বিলা মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ একর জমি রয়েছে। এর একটি বড় অংশের ফসল পরিবহনে সড়কটি ব্যবহৃত হয়। নির্মাণকাজ শেষ হলে আশপাশের তিন গ্রামের মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনও সহজ হবে।

গাড়াবেড় গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শাহ্ ঈসমাইল গাজী (রহ.)-এর মাজারে যাতায়াত এবং তিন গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ২০০৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাঁচা রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এখন দু-একজনের বাধার কারণে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়তে যাচ্ছে। তিনি বন্ধ থাকা নির্মাণকাজ দ্রুত পুনরায় চালুর দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, গ্রামের সবাই এক জোট হয়ে সড়ক নির্মাণে সহযোগিতা করে আসছেন। কিন্তু আনারুল ইসলাম ও আকবর মিয়া এ কাজে বাধা দিচ্ছেন। আমরা বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান চাই।

একই অভিযোগ করেন স্থানীয় সিদ্দিক মণ্ডল, বিশু চৌধুরী, ঈসমাইল চৌধুরী ও সাদেকুল ইসলাম। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সড়কটি নির্মিত হলে গ্রামের মানুষের চলাচল সহজ হবে। জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে উন্নয়নকাজ বন্ধ না করে তা আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং শাহ্ ঈসমাইল গাজী (রহ.) মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। শিগগিরই সমাধান হবে বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই সমস্যাটি সমাধান করে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের উদ্যোগে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ নিষ্পত্তি করে জনস্বার্থে বন্ধ থাকা সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত পুনরায় চালু করা হোক।

কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।

বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।

পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

পীরগঞ্জে নির্মাণকাজে বাধা, থমকে গেছে সড়কের কাজ

প্রকাশ: ১২:০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দরপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৭৭৫ মিটার দীর্ঘ ও ১০ ফুট প্রশস্ত সড়কটির উন্নয়নকাজ শুরু করা হয়। এ জন্য পীরগঞ্জ পৌরসভা ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। মেসার্স ইবতিদা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির প্রায় ৪০০ মিটার অংশের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে বাকি প্রায় ৩৭৫ মিটার অংশে নির্মাণসামগ্রী নেওয়ার পথে বাঁশের খুঁটি থাকায় কাজ এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আনারুল ইসলাম ও আকবর মিয়া ওই স্থানে নিজেদের জমি রয়েছে দাবি করে সড়কের মাঝখানে বাঁশের খুঁটি পুঁতেছেন। এতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণসামগ্রী পরিবহন করতে না পারায় প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, বড়বিলা মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ একর জমি রয়েছে। এর একটি বড় অংশের ফসল পরিবহনে সড়কটি ব্যবহৃত হয়। নির্মাণকাজ শেষ হলে আশপাশের তিন গ্রামের মানুষের যাতায়াতের পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহনও সহজ হবে।

গাড়াবেড় গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শাহ্ ঈসমাইল গাজী (রহ.)-এর মাজারে যাতায়াত এবং তিন গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ২০০৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাঁচা রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। এখন দু-একজনের বাধার কারণে হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়তে যাচ্ছে। তিনি বন্ধ থাকা নির্মাণকাজ দ্রুত পুনরায় চালুর দাবি জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, গ্রামের সবাই এক জোট হয়ে সড়ক নির্মাণে সহযোগিতা করে আসছেন। কিন্তু আনারুল ইসলাম ও আকবর মিয়া এ কাজে বাধা দিচ্ছেন। আমরা বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান চাই।

একই অভিযোগ করেন স্থানীয় সিদ্দিক মণ্ডল, বিশু চৌধুরী, ঈসমাইল চৌধুরী ও সাদেকুল ইসলাম। তাঁরা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সড়কটি নির্মিত হলে গ্রামের মানুষের চলাচল সহজ হবে। জমি নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে উন্নয়নকাজ বন্ধ না করে তা আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে নিষ্পত্তি করা উচিত।

সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং শাহ্ ঈসমাইল গাজী (রহ.) মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মিয়া বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। শিগগিরই সমাধান হবে বলে আশা করছি।

এ বিষয়ে পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা চলছে। খুব শিগগিরই সমস্যাটি সমাধান করে বাকি কাজ সম্পন্ন করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসনের উদ্যোগে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনানুগ নিষ্পত্তি করে জনস্বার্থে বন্ধ থাকা সড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত পুনরায় চালু করা হোক।

কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।

বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।

পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।