১১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে মারধরের অভিযোগ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:০৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮২ বার পঠিত হয়েছে

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে চাষাঢ়ায় সায়েম প্লাজার নিচতলায় অবস্থিত একটি প্রসাধনী পণ্য বিক্রির দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মারধরের শিকার হন দোকানমালিক হাসান ইমাম (৭০)। তিনি সায়েম প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে হাসান ইমামের ছোট ভাই জুয়েল বলেন, আমি দোকানে আমার ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম। রাতে টিপুর নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন বিএনপির নেতা-কর্মী এসে আমার ভাইকে বলে, তুই আওয়ামী লীগ করোস। এরপরই দোকান থেকে টেনে বের করে মারধর করা হয়। আমার ভাই দোকান মালিক সমিতির সভাপতি। সে কোনো রাজনৈতিক দল করে না। মিথ্যা অভিযোগ তুলে মারধর করা হয়েছে।

এদিকে মারধরের পর রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন হাসান ইমাম। তাঁর ছেলে নাইমুল হাসান বলেন, আমার বাবা রাত ৩টার দিকে বমি করতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁর অসুস্থতার উপসর্গ দেখে আমরা ভেবেছি, তিনি স্ট্রোক করেছেন। তবে ডাক্তার স্পষ্টভাবে কিছু জানাননি। তাঁর মাথায় আঘাত করার কারণে বমি করেছেন বলে জানিয়েছে। তিনি আপাতত পর্যবেক্ষণে আছেন।

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেবেন কি না, এমন প্রশ্নে বলেন, আমরা আগে বাবার সুস্থতা নিয়ে চিন্তা করছি। তিনি সুস্থ হওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু দাবি করেন, হাসান ইমাম আওয়ামী লীগের সরাসরি কোনো কমিটিতে না থাকলেও সে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অর্থ জোগানদাতা। সাম্প্রতিক সময়ে মিছিলে হাসান ইমাম অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

টিপু বলেন, সে হলো আজমেরী ওসমান ও শাহ নিজামের লোক। বিগত দিনে সে অনেক অপকর্ম করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের দিনেও ওসমান পরিবারের সঙ্গে থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকায় একটি রিকশা গ্যারেজে বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ নেতাসহ ৮ জনকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

ইরানে আমাদের মিশন এখনো শেষ হয়নি: ইসরায়েল কাৎজ

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ীকে লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে মারধরের অভিযোগ

প্রকাশ: ০৮:০৪:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে চাষাঢ়ায় সায়েম প্লাজার নিচতলায় অবস্থিত একটি প্রসাধনী পণ্য বিক্রির দোকানে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মারধরের শিকার হন দোকানমালিক হাসান ইমাম (৭০)। তিনি সায়েম প্লাজা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে হাসান ইমামের ছোট ভাই জুয়েল বলেন, আমি দোকানে আমার ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম। রাতে টিপুর নেতৃত্বে প্রায় ৫০ জন বিএনপির নেতা-কর্মী এসে আমার ভাইকে বলে, তুই আওয়ামী লীগ করোস। এরপরই দোকান থেকে টেনে বের করে মারধর করা হয়। আমার ভাই দোকান মালিক সমিতির সভাপতি। সে কোনো রাজনৈতিক দল করে না। মিথ্যা অভিযোগ তুলে মারধর করা হয়েছে।

এদিকে মারধরের পর রাতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন হাসান ইমাম। তাঁর ছেলে নাইমুল হাসান বলেন, আমার বাবা রাত ৩টার দিকে বমি করতে শুরু করে। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁর অসুস্থতার উপসর্গ দেখে আমরা ভেবেছি, তিনি স্ট্রোক করেছেন। তবে ডাক্তার স্পষ্টভাবে কিছু জানাননি। তাঁর মাথায় আঘাত করার কারণে বমি করেছেন বলে জানিয়েছে। তিনি আপাতত পর্যবেক্ষণে আছেন।

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেবেন কি না, এমন প্রশ্নে বলেন, আমরা আগে বাবার সুস্থতা নিয়ে চিন্তা করছি। তিনি সুস্থ হওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু দাবি করেন, হাসান ইমাম আওয়ামী লীগের সরাসরি কোনো কমিটিতে না থাকলেও সে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অর্থ জোগানদাতা। সাম্প্রতিক সময়ে মিছিলে হাসান ইমাম অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

টিপু বলেন, সে হলো আজমেরী ওসমান ও শাহ নিজামের লোক। বিগত দিনে সে অনেক অপকর্ম করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের দিনেও ওসমান পরিবারের সঙ্গে থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকায় একটি রিকশা গ্যারেজে বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগ নেতাসহ ৮ জনকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক রিমান্ডে নেওয়ার এই নির্দেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গার্মেন্টস কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন শুভ্র হত্যা মামলায় ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ২ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।