জানা গেছে, গতকাল বিকেলে রিকশা-ভ্যানশ্রমিক অফিসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতি সভা হয়। উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় এসব অভিযোগ করেন বুলেট।
ভিডিওতে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির এই নেতা বলেন, মহাদেবপুরে বিএনপির নামে আলাদা সাইনবোর্ড দিয়ে অফিস করা হয়েছে। ৭ নভেম্বরের কর্মসূচির পর ওই সাইনবোর্ড ওখান থেকে টেনে খুলে ফেলা হবে।
ভিডিওতে রবিউল আলম বুলেটকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের দলের চেয়ারম্যান আমাদের বলেছিলেন, “আপনারা সুসংগঠিত থাকেন।” আমাদের চেয়ারম্যান দরকার, যদি আমরা জনগণের বিশ্বাস অর্জন করি, তাহলে আমাদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলতে হবে। আমরা সেই নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলে আসছি। এত দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা চিন্তা করে মুখ খুলিনি।’
বুলেট বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে চিঠি দিয়ে চাঁদা নেওয়ার যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার জবাব জনগণই দেবে। কোনো ইউনিয়নে বিএনপি টাকা চেয়েছে আর এমপি কার কাছে চেয়েছেন, তার প্রমাণ জনগণের সামনে হাজির করা হবে।
স্বৈরাচারী সরকারের পতনের উদাহরণ টেনে বুলেট বলেন, ‘শেখ হাসিনার কাছে পুলিশ ছিল, আর্মি ছিল, বিজিবি ছিল, ক্ষমতা ছিল, প্রশাসন ছিল; কিন্তু জনগণের কাছে সেই হাসিনা টিকে থাকতে পারেনি। এমপি যত বড় ক্ষমতাধরই হোন এবং তাঁর কাছে পুলিশ বা সিভিল প্রশাসন যা-ই থাকুক না কেন, জনগণের শক্তির চেয়ে বড় কিছু নয়।’
স্থানীয় সাবেক এমপি সেলিমের আমলের সঙ্গে তুলনা টেনে বুলেট বলেন, ‘গত পাঁচ বছরে সেলিম যা করেনি, আমার তো ধারণা এই ৮-৯ মাসে তার চেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে। এক খাদ্যগুদাম থেকেই তিনি (বর্তমান এমপি) তিন কোটি টাকার ওপরে নিয়েছেন। কোনো কাজ না করেই কীভাবে কাজের বিল তোলা হয়েছে—সব হিসাব সময়মতো দেওয়া হবে।’
ভিডিওর বিষয়ে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বুলেট বলেন, ‘এ বিষয়ে সময়মতো কথা বলব।’

দৈনিক টার্গেট 























