নিহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগ্যাকাটা এলাকার মোক্তার কামাল (৪০) এবং একই ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলি ঘোনা এলাকার কালু ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ আকবর (২৫)।
আহত ব্যক্তিরা হলেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তুলাতলী এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ (৩৫) এবং আমির হোসেনের ছেলে আলী আহমদ (২৬)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আজ সকালে হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী বন বিট অফিসের পাশ থেকে মোক্তার কামালের মরদেহ এবং আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। পরে বেলা একটার দিকে উলুচামরি ও লেচুয়াপ্রাংয়ের মধ্যবর্তী একটি পেয়ারা বাগান থেকে মোহাম্মদ আকবরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, সকালে পশ্চিম পানখালী বন বিট অফিসের পাশে কয়েকজনকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
উদ্ধার হওয়া মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, মাদকের একটি চালান চেকপোস্ট পার করে হোয়াইক্যংয়ের দৈংগ্যাকাটা পাহাড়ে অন্য একটি দলের কাছে হস্তান্তরের পথে ডাকাত দলের সদস্যরা চালানটি ছিনিয়ে নেয়। পরে ছিনিয়ে নেওয়া চালানের ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার হলেও বাকি ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
ইলিয়াছের দাবি, হোয়াইক্যংয়ের তুলাতলী এলাকার মিজান তাঁদের চারজনকে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিচারের কথা বলে সোমবার রাতে হ্নীলার একটি দলের হাতে তুলে দেন। পরে তাঁদের পাহাড়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। ওই ব্যক্তিদের কাছে অস্ত্রও ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
ইলিয়াছের ভাষ্য, নির্যাতনের একপর্যায়ে মোক্তার কামালের মৃত্যু হয়। মাদকের চালানটির মালিক হ্নীলার এক মাদক কারবারি বলেও তিনি জানান।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম দুই ব্যক্তির মরদেহ এবং আহত দুইজনকে উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ববিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত এবং প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

দৈনিক টার্গেট 























