বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জ উপজেলার শাক্তা ইউনিয়নের রামেরকান্দা ও কোলচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—বর ফরহাদ (১৯), মেয়ের বাবা আজিজুল হক (৪০) এবং ঘটক হাসান (৪৫)। এর মধ্যে বর ফরহাদকে এক মাসের কারাদণ্ড এবং আজিজুল হক ও ঘটক হাসানকে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ছেলের বোনকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রামেরকান্দা গ্রামের ভাড়াটে ১১ বছর বয়সী ওই মেয়ের সঙ্গে কোর্ট ম্যারেজ হয় কোলচর গ্রামের ভাড়াটে ফরহাদের। বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।
মেয়ের বাবা আজিজুল হকের অভিযোগ, তার মেয়েকে ছেলের পরিবারের লোকজন জোর করে বিয়ে করেছে। এ বিয়েতে তাদের পরিবারের কোনো সম্মতি ছিল না এবং কোনো কাগজে তারা স্বাক্ষরও করেননি। তিনি বলেন, আমরা বিচার চাইতে এসে আসামি হলাম।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছেলের মা বলেন, দুই পক্ষের সম্মতিতেই বিয়ে হয়েছে। তার দাবি, তারা বড় মেয়েকে দেখতে গিয়েছিলেন। পরে মেয়ের পরিবারের আগ্রহেই ছোট মেয়ের সঙ্গে তার ছেলের বিয়ে দেওয়া হয়।
ছেলের মায়ের আরও অভিযোগ, তৃতীয় পক্ষের একজন তাদের কাছে দুই বোতল মদ চেয়েছিলেন। সেই আবদার পূরণ করতে না পারায় পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়েছে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক বলেন, বাল্যবিবাহ বন্ধে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। বিষয়টি জানতে পেরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। বাল্যবিবাহ আয়োজন ও সহযোগিতার দায়ে বর, মেয়ের বাবা ও ঘটককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কাজীকেও আটকের চেষ্টা চলছে।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সার বিক্রিতে অনিয়মের দায়ে মেসার্স আতাউর রহমান ট্রেডার্স ও মেসার্স সাইদুর রহমান ট্রেডার্স নামের দুই বিসিআইসি সার ডিলারকে ৪২ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রাতে হাতিরঝিলে ছিনতাইয়ের সময় আশপাশের লোকজনের চিৎকার শুনতে পান সেখানে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা। পরে এপিসি শেখ রাসেলের নেতৃত্বে আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে নয়নকে আটক করেন।
দৈনিক টার্গেট 




















