গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান, পিপিএমের নির্দেশনায় মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। অপরাধে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে আটকদের মধ্যে ১০৭ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্যদের মুচলেকায় জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ, মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।

দৈনিক টার্গেট 



















