আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
এর আগে সাত দিনের রিমান্ড শেষে আবু বকর সিদ্দিককে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইয়াছিন তাঁর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন। পরে আদালত তাঁর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ২৩ অক্টোবর আবু বকর সিদ্দিককে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে গত ২৫ অক্টোবর তাঁকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ও রাজশাহী মহানগর পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে গত ২১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় রাজশাহীর পবা থানার ঘোল হাঁড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে আবু বকর সিদ্দিক ও তাঁর বাবা মো. আয়নাল হককে আটক করে। পরে তাঁর বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এরপর ২৩ অক্টোবর ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের এসআই মানিক হোসেন রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আবু বকর সিদ্দিক ও অজ্ঞাতনামা দুই থেকে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
আবু বকর সিদ্দিকের এই মন্তব্য নজরে আসার পরপরই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে ডিবি পুলিশ। পরে অভিযানের সময় সিদ্দিকের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সিদ্দিক তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে ওই কমেন্ট করার কথা স্বীকার করেন। তবে তাঁর বাবা সোশ্যাল মিডিয়া বা ঘটনার বিষয়ে কিছু না জানায় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে তাঁকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
জবানবন্দিতে আবু বক্কর সিদ্দিক কোনো ষড়যন্ত্রের কথা বা অন্য কেউ এ ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা বলেছেন কি না—জানা যায়নি। তবে ফেসবুকে তিনি মন্তব্য করেছেন, এটা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁকে যেদিন রিমান্ডে নেওয়া হয়, সেদিন তিনি বলেছিলেন—তিনি মজা করে মন্তব্য করেছিলেন।

দৈনিক টার্গেট 





















