নিহত আবু বক্কর সিদ্দিক গাইবান্ধা পৌর শহরের পূর্ব কোমরনই পাড়া এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, জয়পুরহাটের সান্তাহার জংশন থেকে ছেড়ে আসা লালমনিরহাটগামী ‘পদ্মরাগ কমিউটার’ লোকাল ট্রেনটি গাইবান্ধা শহরের ২ নম্বর রেলগেট অতিক্রম করছিল। সে সময় হঠাৎ আবু বক্কর সিদ্দিক চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের ভাগনে রশিদুল ইসলাম বকুল জানান, তাঁর মামা চড়া সুদে ঋণ নিয়েছিলেন। ঋণদাতারা বেশ কিছুদিন ধরে পাওনা টাকার জন্য তাঁকে মানসিক চাপে রাখছিলেন। টাকার জন্য সেই চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা রেলওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গনি জানান, ট্রেনে কাটা পড়ে আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
ওসি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তি ঋণের দায়ে জর্জরিত ছিলেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানেও ঋণের চাপের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
ওসি আরও জানান, লাশের সুরতহাল করার সময় নিহতের পকেট থেকে বেশ কয়েকজনের নাম লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই চিরকুটে থাকা নামগুলো প্রকাশ করা হচ্ছে না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দৈনিক টার্গেট 






















