‘ইশ্‌ প্রধানমন্ত্রী যদি প্রতি মাসে একবার খুলনায় আসতেন’

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৩৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

আজ মঙ্গলবার সকালে স্টেডিয়াম পাড়ায় গিয়ে এলাকাটিকে চেনাই যাচ্ছে না। রাস্তায় এক ফোঁটাও ময়লা আবর্জনা নেই। দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন গ্রাফিতি। কেডি ঘোষ, হাজী মহসীন রোডসহ নগরীকে ব্যানার, প্যানা, তোরণে সাজানো হয়েছে। এ যেন অন্যরকম খুলনা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা কর্মীসহ পুরো খুলনাবাসীর মাঝে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। এবার এক ভিন্নধর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছেন দলটির নেতা কর্মীরা।

আগামী বৃহস্পতিবার নেতাকে বরণ করে নিতে জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জার বদলে পুরো শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দিনরাত কাজ করে চলেছেন তাঁরা।

খুলনার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকেই কার কি দায়িত্ব তা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীকে চার স্তরের নিরাপত্তা দেওয়া হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে মহানগর ও জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো গ্রহণ করেছে ব্যাপক প্রস্তুতি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিনই চলছে দফায় দফায় মিটিং, বর্ধিত সভা ও মতবিনিময়। নেতাদের মূল লক্ষ্য অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ না করে পুরো পথজুড়ে ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলার এক অনুপম দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে সর্বকালের সর্ববৃহৎ ও স্মরণকালের সেরা সংবর্ধনা দেওয়ার সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রূপসার কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস সড়ক হয়ে শেরে বাংলা রোড দিয়ে পাওয়ার হাউস মোড় ঘুরে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সুদীর্ঘ সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মার্জিত পরিবেশে অবস্থান নেবেন খুলনাঞ্চলের লাখো নেতা কর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। প্রিয় নেতাকে রাজকীয় বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন খুলনাবাসী।

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস হয়ে জেলা স্টেডিয়ামমুখী পুরো পথজুড়ে খুলনাবাসীর যে পুষ্পবৃষ্টি ও অভিনন্দনের জোয়ার বইবে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, নগরের প্রবেশ দ্বার থেকে শুরু করে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন-এমন নির্দেশনাই দেওয়া হয়েছে।

সাবেক সংসদ সদস্য ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘শহরকে সাজাতে খুলনা সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। খুলনার প্রবেশদ্বার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে গোটা শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিয়েছেন।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পর্কে জানা যায়, ওই দিন খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-কিশোর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন (প্রথম আসরে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার)। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এই বিশাল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় দিনব্যাপী সরকারি সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ দুই জেলায় একাধিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

সকাল ১০টায় মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর পর সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগদান এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২টি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বন্দর এলাকার কর্মসূচি শেষে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে হযরত খান জাহান আলী (রঃ)-এর মাজার শরীফের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে জিয়ারত করবেন।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মাজার শরীফ থেকে সড়কপথে খুলনা শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন এবং সেখানে কিছু সময় বিরতি নেবেন।

এরপর বিকেল ৩টায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিপ্যাডে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট ও খুলনা জেলা প্রশাসন এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

খুলনায় অপরাধ: পথে পথে চাঁদা, কথায় কথায় খুন

খুলনায় অপরাধ: পথে পথে চাঁদা, কথায় কথায় খুন

খুলনা নগরীর কমার্স কলেজের পাশে এক চিকিৎসকের কাছে ৩ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল এই অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠন ‘বি কোম্পানি’। ভয়ে থানায় কোনো অভিযোগ না দিয়ে চেম্বার বন্ধ রেখে আত্মগোপনে আছেন তিনি। ওই এলাকার আরও এক চিকিৎসকের কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছিল; ভয়ে তিনি ভারতে চলে গেছেন।

রিকশাচালককে অস্ত্রাঘাত করে ছিনতাই, যুবককে কুপিয়ে জখম

রিকশাচালককে অস্ত্রাঘাত করে ছিনতাই, যুবককে কুপিয়ে জখম

খুলনায় ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রবি নামের এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। আজ সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লবণচরা থানার তোতার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খুলনায় নদীর পাড়ে পড়ে ছিল দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ

খুলনায় নদীর পাড়ে পড়ে ছিল দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ

খুলনার রূপসা উপজেলায় আঠারো বাকী নদী-সংলগ্ন একটি কলাবাগানের পাশ থেকে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের চরমোছাব্বরপুর গ্রামের হাবিবের কলাবাগানের উত্তর পাশ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

হাসিনা-কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি

‘ইশ্‌ প্রধানমন্ত্রী যদি প্রতি মাসে একবার খুলনায় আসতেন’

প্রকাশ: ০৪:৩৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

আজ মঙ্গলবার সকালে স্টেডিয়াম পাড়ায় গিয়ে এলাকাটিকে চেনাই যাচ্ছে না। রাস্তায় এক ফোঁটাও ময়লা আবর্জনা নেই। দেয়ালে দেয়ালে শোভা পাচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন গ্রাফিতি। কেডি ঘোষ, হাজী মহসীন রোডসহ নগরীকে ব্যানার, প্যানা, তোরণে সাজানো হয়েছে। এ যেন অন্যরকম খুলনা।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খুলনা সফরকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতা কর্মীসহ পুরো খুলনাবাসীর মাঝে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। এবার এক ভিন্নধর্মী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছেন দলটির নেতা কর্মীরা।

আগামী বৃহস্পতিবার নেতাকে বরণ করে নিতে জাঁকজমকপূর্ণ সাজসজ্জার বদলে পুরো শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দিনরাত কাজ করে চলেছেন তাঁরা।

খুলনার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয় নিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এই বৈঠকেই কার কি দায়িত্ব তা নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে একটি গোয়েন্দা সংস্থার সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীকে চার স্তরের নিরাপত্তা দেওয়া হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে মহানগর ও জেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো গ্রহণ করেছে ব্যাপক প্রস্তুতি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিনই চলছে দফায় দফায় মিটিং, বর্ধিত সভা ও মতবিনিময়। নেতাদের মূল লক্ষ্য অপ্রয়োজনীয় ব্যানার-ফেস্টুন ও তোরণ নির্মাণ না করে পুরো পথজুড়ে ডিসিপ্লিন বা শৃঙ্খলার এক অনুপম দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি যৌথভাবে সর্বকালের সর্ববৃহৎ ও স্মরণকালের সেরা সংবর্ধনা দেওয়ার সার্বিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রূপসার কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস সড়ক হয়ে শেরে বাংলা রোড দিয়ে পাওয়ার হাউস মোড় ঘুরে জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত সুদীর্ঘ সড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও মার্জিত পরিবেশে অবস্থান নেবেন খুলনাঞ্চলের লাখো নেতা কর্মী ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। প্রিয় নেতাকে রাজকীয় বরণ করে নিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন খুলনাবাসী।

খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিসিবির পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, ‘কুদির বটতলা থেকে শুরু করে রূপসা বাইপাস হয়ে জেলা স্টেডিয়ামমুখী পুরো পথজুড়ে খুলনাবাসীর যে পুষ্পবৃষ্টি ও অভিনন্দনের জোয়ার বইবে, তা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, নগরের প্রবেশ দ্বার থেকে শুরু করে খুলনা জেলা স্টেডিয়াম পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে নেতা-কর্মীরা দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন-এমন নির্দেশনাই দেওয়া হয়েছে।

সাবেক সংসদ সদস্য ও খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘শহরকে সাজাতে খুলনা সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে। খুলনার প্রবেশদ্বার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে গোটা শহর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার আওতায় আনা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি বিএনপির নেতা-কর্মীরাও পরিচ্ছন্নতায় অংশ নিয়েছেন।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পর্কে জানা যায়, ওই দিন খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে একযোগে দেশের ৫০৩টি উপজেলায় ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হবে। দ্বিতীয় আসরে অংশগ্রহণের জন্য ইতিমধ্যে দেশের প্রায় ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-কিশোর রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন (প্রথম আসরে এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৬৮ হাজার)। নিবন্ধিত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ৪,৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে প্রায় ১৪ লাখ ক্রীড়াবিদ এই বিশাল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার বাগেরহাট ও খুলনা জেলায় দিনব্যাপী সরকারি সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ দুই জেলায় একাধিক উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

সকাল ১০টায় মোংলা বন্দরে পৌঁছানোর পর সেখানে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগদান এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২টি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বন্দর এলাকার কর্মসূচি শেষে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে সড়কপথে হযরত খান জাহান আলী (রঃ)-এর মাজার শরীফের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে মাজার প্রাঙ্গণে পৌঁছে জিয়ারত করবেন।

দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে মাজার শরীফ থেকে সড়কপথে খুলনা শহরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে খুলনা সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন এবং সেখানে কিছু সময় বিরতি নেবেন।

এরপর বিকেল ৩টায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) ’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

বিকেল সাড়ে ৪টায় হেলিপ্যাডে উপস্থিত হয়ে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন এবং বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বাগেরহাট ও খুলনা জেলা প্রশাসন এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

খুলনায় অপরাধ: পথে পথে চাঁদা, কথায় কথায় খুন

খুলনায় অপরাধ: পথে পথে চাঁদা, কথায় কথায় খুন

খুলনা নগরীর কমার্স কলেজের পাশে এক চিকিৎসকের কাছে ৩ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছিল এই অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী সংগঠন ‘বি কোম্পানি’। ভয়ে থানায় কোনো অভিযোগ না দিয়ে চেম্বার বন্ধ রেখে আত্মগোপনে আছেন তিনি। ওই এলাকার আরও এক চিকিৎসকের কাছে চাঁদা চাওয়া হয়েছিল; ভয়ে তিনি ভারতে চলে গেছেন।

রিকশাচালককে অস্ত্রাঘাত করে ছিনতাই, যুবককে কুপিয়ে জখম

রিকশাচালককে অস্ত্রাঘাত করে ছিনতাই, যুবককে কুপিয়ে জখম

খুলনায় ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রবি নামের এক রিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। আজ সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লবণচরা থানার তোতার ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

খুলনায় নদীর পাড়ে পড়ে ছিল দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ

খুলনায় নদীর পাড়ে পড়ে ছিল দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ

খুলনার রূপসা উপজেলায় আঠারো বাকী নদী-সংলগ্ন একটি কলাবাগানের পাশ থেকে গুলিবিদ্ধ দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নের চরমোছাব্বরপুর গ্রামের হাবিবের কলাবাগানের উত্তর পাশ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।