সিআইডি জানায়, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন লিটন। ওই সিমের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন দিনে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি।
গতকাল বুধবার সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ এসব তথ্য জানান। গ্রেপ্তার লিটন হাওলাদার খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার বৈকালী এলাকার লিটন টি স্টলের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত।
পল্টন মডেল থানায় গত ৩১ আগস্ট দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি। জুয়া প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে।
সিআইডি জানায়, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪ জন দোকানদারের নাম প্রকাশ করেন এ মামলায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সাখির আহম্মেদ (৩৩)। গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি এসব নাম জানান। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিটন হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে তলব করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানান, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম খুলনার বয়রা এলাকার হানিফ নামের এক অটোচালকের কাছে তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন। সিমটির বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাইটে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেন হয়েছে।
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, জিজ্ঞাসাবাদে লিটন নিজের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিম টাকার বিনিময়ে অনলাইন জুয়ার কাজে ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তাঁর কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম জব্দ করা হয়।

দৈনিক টার্গেট 
























