আটকে পড়া ট্রাকগুলোর মধ্যে প্রায় ৪০০টি পাথরবাহী। বাকি ট্রাকগুলোতে রয়েছে নারিকেল, ভুসি, শুঁটকিসহ বিভিন্ন পণ্য। বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ সকালে ১০টি ট্রাক প্রবেশ করলেও বন্দরে জায়গার সংকট থাকায় নতুন করে ভারত থেকে আর ট্রাক নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, কাস্টমস কর্মকর্তারা বিনা কারণে কর্মচারীদের কার্ড আটকে রাখছেন। ফাইল জমা দেওয়ার পর নানা জটিলতা তৈরি করছেন এবং নতুন নতুন নিয়মের কথা বলে হয়রানি করছেন। বিশেষ করে কাস্টমস সুপার মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, অশোভন আচরণ এবং পণ্য খালাসে অযৌক্তিক বাধা সৃষ্টির অভিযোগ তুলেছেন তারা। এসব হয়রানি বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ফাইল আটকে রাখা কিংবা কাউকে নিয়মবহির্ভূতভাবে হয়রানি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। আলোচনার জন্য আন্দোলনকারীদের আহ্বান জানানো হলেও তারা তাতে সাড়া দেননি।
এদিকে সংকট নিরসনে গতকাল বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার আবারও সংকট নিরসনে আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের কার্যালয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ইতি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, আজকের বৈঠক থেকেও কোনো সমাধান না এলে বন্দরের পণ্য পরিবহন ও আমদানি কার্যক্রমে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে।

দৈনিক টার্গেট 























