বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে ইন্টারনেট সংযোগ মেরামতের সময় দগ্ধ যুবক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত হয়েছে

আহত কামাল বিশ্বাস ওই এলাকার মৃত আব্দুস ছালাম বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় স্থানীয় একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানের টেকনিশিয়ান।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ থাকা অবস্থায় কামাল বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে তার সংস্কারের কাজ করছিলেন। কিন্তু কাজ চলাকালেই হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়ে গেলে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাজী লোকমান হোসেন পলাশ জানান, দগ্ধ কামালের হাত ও বুকের সিংহভাগ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে, বিশেষ করে তাঁর হাতের আঙুলগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কামাল বিশ্বাসের পরিবার জানায়, শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুলাদী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। যেকোনো সময় বিদ্যুৎ লাইন চালু হতে পারে—এমন সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়। তাই বিদ্যুৎ না থাকলেও বৈদ্যুতিক খুঁটি বা লাইনের সংস্পর্শে যাওয়া উচিত নয়।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুজ্জামান বলেন, ভোরে ফ্লাইওভারের ওপর ধোলাই পাড় টনি টাওয়ারের সামনে কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ম্যাক্স হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের এক নার্সের অবহেলায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা-মা। মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ওই হাসপাতালের …

এবার মুগবেলাই উত্তরপাড়ায় প্রায় ২০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন হাসিবুর। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এবার এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

জনপ্রিয় টার্গেট

বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে ইন্টারনেট সংযোগ মেরামতের সময় দগ্ধ যুবক

প্রকাশ: ০৩:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আহত কামাল বিশ্বাস ওই এলাকার মৃত আব্দুস ছালাম বিশ্বাসের ছেলে এবং পেশায় স্থানীয় একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠানের টেকনিশিয়ান।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ থাকা অবস্থায় কামাল বৈদ্যুতিক খুঁটিতে উঠে তার সংস্কারের কাজ করছিলেন। কিন্তু কাজ চলাকালেই হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়ে গেলে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাজী লোকমান হোসেন পলাশ জানান, দগ্ধ কামালের হাত ও বুকের সিংহভাগ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে, বিশেষ করে তাঁর হাতের আঙুলগুলো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

কামাল বিশ্বাসের পরিবার জানায়, শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এ বিষয়ে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মুলাদী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। যেকোনো সময় বিদ্যুৎ লাইন চালু হতে পারে—এমন সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়। তাই বিদ্যুৎ না থাকলেও বৈদ্যুতিক খুঁটি বা লাইনের সংস্পর্শে যাওয়া উচিত নয়।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুজ্জামান বলেন, ভোরে ফ্লাইওভারের ওপর ধোলাই পাড় টনি টাওয়ারের সামনে কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় ওই নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ম্যাক্স হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালের এক নার্সের অবহেলায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিশুটির বাবা-মা। মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ওই হাসপাতালের …

এবার মুগবেলাই উত্তরপাড়ায় প্রায় ২০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন হাসিবুর। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এবার এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।