সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, জানুয়ারি-জুন সময়ে পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে ব্যাংকগুলোর ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বরে ব্যয় ছিল ২৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ ছয় মাসে এ খাতে ব্যয় কমেছে ৫৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। শিক্ষা খাতে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় হয়েছে ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে এ খাতে ব্যয় ছিল ৪৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ফলে কমেছে ৪৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতেও ব্যয় কমেছে ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জানুয়ারি-জুনে এ খাতে ব্যয় হয়েছে ৩৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে ব্যয় ছিল ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

তবে অন্যান্য খাতে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এসব খাতে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় হয়েছে ৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে যা ছিল ৪৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতে ব্যয় করেছে ১১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা। আগের ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর এ ব্যয় ছিল ১৯৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ফলে ব্যাংকের সিএসআর ব্যয় কমেছে ৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা বা ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যাংক নিট লোকসানে থাকলে সিএসআর খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী একটি ব্যাংক ১০০ টাকা সিএসআর ব্যয় করলে তার মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ৩০ শতাংশ করে মোট ৬০ শতাংশ; পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে ২০ শতাংশ এবং আয়-উৎসারী কাজ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ অন্যান্য খাতে বাকি ২০ শতাংশ খরচ করতে পারে।

এদিকে সিএসআর ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা ব্যাংক। জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটি ব্যয় করেছে ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যয় ১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক ১০ কোটি ৫০ লাখ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ৮ কোটি ৯২ লাখ, পূবালী ব্যাংক ৮ কোটি ৬৭ লাখ, ট্রাস্ট ব্যাংক ৮ কোটি ৪৩ লাখ, যমুনা ব্যাংক ৮ কোটি ৭ লাখ, ব্র্যাক ব্যাংক ৭ কোটি ৪১ লাখ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ৬ কোটি ৩৮ লাখ এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ৬ কোটি ৮ লাখ টাকা সিএসআর খাতে ব্যয় করেছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) সঞ্চয়পত্র নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি…

টানা দুই মাস কমার পর আবারও বাড়ল মূল্যস্ফীতি। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ হয়েছে। আগস্ট ও জুলাইতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি বাড়লে প্রকৃত আয় কমে জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যায়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগ বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) করোত্তর ক্ষতি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি)…

জনপ্রিয় টার্গেট

সিএসআর ব্যয়: সব প্রধান খাতেই বড় পতন

প্রকাশ: ০১:৩১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, জানুয়ারি-জুন সময়ে পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে ব্যাংকগুলোর ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বরে ব্যয় ছিল ২৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ ছয় মাসে এ খাতে ব্যয় কমেছে ৫৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। শিক্ষা খাতে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় হয়েছে ২৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে এ খাতে ব্যয় ছিল ৪৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। ফলে কমেছে ৪৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতেও ব্যয় কমেছে ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ। জানুয়ারি-জুনে এ খাতে ব্যয় হয়েছে ৩৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে ব্যয় ছিল ৫৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

তবে অন্যান্য খাতে কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে এসব খাতে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ব্যয় হয়েছে ৪৮ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আগের ষাণ্মাসিকে যা ছিল ৪৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা। অর্থাৎ এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতে ব্যয় করেছে ১১৯ কোটি ৪ লাখ টাকা। আগের ছয় মাসে ব্যাংকগুলোর এ ব্যয় ছিল ১৯৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ফলে ব্যাংকের সিএসআর ব্যয় কমেছে ৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা বা ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যাংক নিট লোকসানে থাকলে সিএসআর খাতে কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারে না। নিয়ম অনুযায়ী একটি ব্যাংক ১০০ টাকা সিএসআর ব্যয় করলে তার মধ্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ৩০ শতাংশ করে মোট ৬০ শতাংশ; পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন খাতে ২০ শতাংশ এবং আয়-উৎসারী কাজ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ অন্যান্য খাতে বাকি ২০ শতাংশ খরচ করতে পারে।

এদিকে সিএসআর ব্যয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা ব্যাংক। জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটি ব্যয় করেছে ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যয় ১১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক ১০ কোটি ৫০ লাখ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ৮ কোটি ৯২ লাখ, পূবালী ব্যাংক ৮ কোটি ৬৭ লাখ, ট্রাস্ট ব্যাংক ৮ কোটি ৪৩ লাখ, যমুনা ব্যাংক ৮ কোটি ৭ লাখ, ব্র্যাক ব্যাংক ৭ কোটি ৪১ লাখ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ৬ কোটি ৩৮ লাখ এবং মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ৬ কোটি ৮ লাখ টাকা সিএসআর খাতে ব্যয় করেছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) সঞ্চয়পত্র নিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি…

টানা দুই মাস কমার পর আবারও বাড়ল মূল্যস্ফীতি। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ হয়েছে। আগস্ট ও জুলাইতে মূল্যস্ফীতির হার ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি বাড়লে প্রকৃত আয় কমে জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যায়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগ বড় ধরনের লোকসানে রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) করোত্তর ক্ষতি হয়েছে ৪৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি)…