উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা এবং ছয়জন কক্সবাজারের বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
আজ রোববার দুপুরে টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সী-বিচ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ দক্ষিণ লম্বরীঘাট এলাকা দিয়ে কয়েকজনকে জোরপূর্বক মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসার খবর পায় বিজিবি। পরে বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়।
বিজিবি অধিনায়ক জানান, সন্ধ্যার পর টহল দল লম্বরীঘাট এলাকায় ২০ থেকে ২৫ জনকে অবস্থান করতে দেখে। এ সময় সমুদ্র থেকে একটি সন্দেহজনক নৌকা ঘাটের দিকে আসতে দেখলে বিজিবি সদস্যরা নৌকাটিকে ধাওয়া করেন।
একপর্যায়ে মানব পাচারচক্রের ১০ থেকে ১৫ সদস্য দ্রুত নৌকায় উঠে সমুদ্রের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাচারের শিকার ৯ জনকে উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার ব্যক্তিরা জানান, তাঁদের জোরপূর্বক মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে ওই এলাকায় জড়ো করা হয়েছিল।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আমির হোসেন (৪৫), মো. জীবন (১৯), জান্নাত আরা (১৭), আব্দুল খালেক (২৯), ফয়সল করিম (১৬), আরিফুল ইসলাম (২১), নুরুল ইসলাম (২২), আহমদ নবী (২৩) ও জাহিদ আলম (১৮)।
পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার ব্যক্তিদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান বিজিবির অধিনায়ক।

দৈনিক টার্গেট 


























