০১:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রযুক্তিভিত্তিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত হয়েছে

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত আইওএম কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে কেবল প্রযুক্তিনির্ভর না করে মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রতি সংবেদনশীল এবং পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বহুজাতিক অপরাধ, মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইওএম-এর প্রস্তাবিত ২০২৭–২০৩১ মেয়াদের কৌশলগত রূপরেখাকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত কাঠামো গঠনে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।

ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান এবং উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোসহ বিভিন্ন অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, কৌশলগত রূপরেখাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো— সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন। এ কাঠামো বা রূপরেখা প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা (জুলাই ২০২৬–জুন ২০৩১)-ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: যোগ্য কাজ নেই ৬০% স্নাতকের

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: যোগ্য কাজ নেই ৬০% স্নাতকের

আগামী দুই দশকে বাংলাদেশে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়বে, কিন্তু তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হলে এই জনশক্তি অর্থনীতির জন্য বড় চাপে পরিণত হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে শ্রমের জোগান কর্মসংস্থানের চেয়ে ১ কোটি ৩০ লাখ বেশি হতে পারে।

সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ

সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ

সচিবালয়ে প্রবেশ ও অবস্থানকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বড়দিনে ২ কোটি টাকা অনুদান দাবি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

বড়দিনে ২ কোটি টাকা অনুদান দাবি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। তবে ট্রাস্টের চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বড়দিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় টার্গেট

বাংলাদেশ কি ভারতের আধিপত্যের মুকুটে ভাগ বসাতে পারবে

প্রযুক্তিভিত্তিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১:২৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

আজ বুধবার রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ইমিগ্রেশন ও বর্ডার গভর্নেন্স সংক্রান্ত আইওএম কৌশলগত রূপরেখা (২০২৭-২০৩১)’ শীর্ষক ব্রিফিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ইমিগ্রেশন ব্যবস্থায় বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নীতি ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টগুলোর কার্যক্রমগত সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি করতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে কেবল প্রযুক্তিনির্ভর না করে মানবিক অধিকার ও সুরক্ষার প্রতি সংবেদনশীল এবং পেশাদার মানদণ্ডে উন্নীত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

বহুজাতিক অপরাধ, মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা কোনো একক সংস্থার দায়িত্ব নয়। এর জন্য সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইওএম-এর প্রস্তাবিত ২০২৭–২০৩১ মেয়াদের কৌশলগত রূপরেখাকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের সীমান্ত কাঠামো গঠনে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোকে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কেবল বাংলাদেশের সীমান্তকেই সুরক্ষিত করবে না, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপদ বিশ্বায়নে বড় অবদান রাখবে।

ব্রিফিং অনুষ্ঠানে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বন্ডে বলেন, অভিবাসন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। ভ্রমণের ধরন ও কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে আরও ভালো সমন্বয়ের প্রয়োজন বাড়বে। কারিগরি দক্ষতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে আইওএম সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. কামরুল আহসান এবং উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং এবং ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোসহ বিভিন্ন অংশীদার সংস্থার প্রতিনিধিরা আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, কৌশলগত রূপরেখাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো— সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ব্যবস্থা ও তথ্য আদান-প্রদান, প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নির্বাচিত সীমান্ত পয়েন্টে অবকাঠামো ও সেবার উন্নয়ন। এ কাঠামো বা রূপরেখা প্রণয়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত সংস্কার ও উন্নয়ন রূপরেখা (জুলাই ২০২৬–জুন ২০৩১)-ও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: যোগ্য কাজ নেই ৬০% স্নাতকের

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: যোগ্য কাজ নেই ৬০% স্নাতকের

আগামী দুই দশকে বাংলাদেশে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়বে, কিন্তু তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হলে এই জনশক্তি অর্থনীতির জন্য বড় চাপে পরিণত হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বলছে, ২০৫০ সালের মধ্যে দেশে শ্রমের জোগান কর্মসংস্থানের চেয়ে ১ কোটি ৩০ লাখ বেশি হতে পারে।

সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ

সচিবালয়ে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ

সচিবালয়ে প্রবেশ ও অবস্থানকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বড়দিনে ২ কোটি টাকা অনুদান দাবি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

বড়দিনে ২ কোটি টাকা অনুদান দাবি, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বড়দিন উদ্‌যাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। তবে ট্রাস্টের চাহিদার চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বড়দিন উদ্‌যাপন উপলক্ষে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন তিনি।