তাঁদের বাড়ি রাজগঞ্জের হানুয়ার গ্রামের মানিকগঞ্জে।
স্বজনদের বরাতে স্থানীয় পশুচিকিৎসক বিল্লাহ হোসেন জানান, বিকেলে ছেলেকে চিকিৎসক দেখিয়ে স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে যশোর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন ফারুক। মোটরসাইকেলের পেছনে ছেলেকে কোলে নিয়ে বসেছিলেন মৌসুমী খাতুন।
বিল্লাহ হোসেন বলেন, গালদা মাঠপাড়ায় একটি ট্রলিকে পাশ কাটিয়ে সামনে ওঠার সময় দ্রুতগতির একটি পিকআপ মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ফারুক, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয় চন্ডীপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমি মাগরিবের নামাজ পড়ে রাজগঞ্জ বাজার থেকে ইজিবাইকে যশোরে যাচ্ছিলাম। আমাদের বহনকারী বাইক দোঁদাড়িয়া মোড় পার হয়ে সামনে যেতেই দেখি, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্বামী-স্ত্রী ও তাঁদের কোলের ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে।’
আব্দুল আজিজ বলেন, ‘আমরা তাদের উদ্ধার করে আমাদের ইজিবাইকে করে পুলেরহাট আদ্-দ্বীন হাসপাতালে পৌঁছাই। সেখানে চিকিৎসক মা ও ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন।’
এ বিষয়ে মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, ‘দুর্ঘটনায় মা-ছেলের মৃত্যুর খবর আমাদের জানা নেই।’

দৈনিক টার্গেট 



















