মাগুরা জেলা কারাগারে থাকা কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত হয়েছে

নূর আলম মুন্সি মাগুরা শহরের ভিটাসাইর এলাকার মৃত মুন্সি সব্দার হোসেনের ছেলে। ২০১৯ সালের একটি মাদক মামলায় এক বছর দুই মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি মাগুরা জেলা কারাগারে সাজা ভোগ করছিলেন।

মাগুরা জেলা কারাগারের জেল সুপার শেখ মো. মহিউদ্দীন হায়দার জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর কারাগারে নূর আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

নূর আলমের মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার। নিহতের ভাই মঞ্জুরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ৮ সেপ্টেম্বর আমার ভাইকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি অসুস্থ হলেও কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছু জানায়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষ কারাগারে যাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে কীভাবে মারা গেলেন, তা নিয়ে আমাদের মনে তীব্র সন্দেহ রয়েছে। আমরা এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার দাবি করছি।’

বর্তমানে নূর আলমের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নেত্রকোনার বারহাট্টায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিউলী রানী বিশ্বাস (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়…

পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জবি শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকেই অনিকের তেমন সাড়াশব্দ বা খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন না পেয়ে মেসে তার রুমে গিয়ে দেখতে বলেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

২৩ দিনেও সন্ধান মেলেনি নববধূ হাফসার, উদ্বেগে পরিবার

মাগুরা জেলা কারাগারে থাকা কয়েদির ঢামেকে মৃত্যু, সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের

প্রকাশ: ১০:৫৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নূর আলম মুন্সি মাগুরা শহরের ভিটাসাইর এলাকার মৃত মুন্সি সব্দার হোসেনের ছেলে। ২০১৯ সালের একটি মাদক মামলায় এক বছর দুই মাসের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি মাগুরা জেলা কারাগারে সাজা ভোগ করছিলেন।

মাগুরা জেলা কারাগারের জেল সুপার শেখ মো. মহিউদ্দীন হায়দার জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর কারাগারে নূর আলম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

নূর আলমের মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করেছে তাঁর পরিবার। নিহতের ভাই মঞ্জুরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘গত ৮ সেপ্টেম্বর আমার ভাইকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি অসুস্থ হলেও কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের কিছু জানায়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষ কারাগারে যাওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে কীভাবে মারা গেলেন, তা নিয়ে আমাদের মনে তীব্র সন্দেহ রয়েছে। আমরা এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার দাবি করছি।’

বর্তমানে নূর আলমের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

নেত্রকোনার বারহাট্টায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ শিউলী রানী বিশ্বাস (৪০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়…

পাবনা সদর উপজেলায় নিখোঁজের সাত দিন পর মোছা. কামরুন্নাহার কলি (১০) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

জবি শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকেই অনিকের তেমন সাড়াশব্দ বা খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন না পেয়ে মেসে তার রুমে গিয়ে দেখতে বলেন।