সকালে শিক্ষার্থীরা দারাশাহী তুলপাই বাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান নিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং দ্রুত বিচারের দাবিতে তিন দফা দাবি পেশ করেন।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন, অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষককে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা এবং তদন্ত চলাকালে বা অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নাছির আহমেদ গাজীকে বিদ্যালয়ের সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা।
মানববন্ধনে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহাত পাটোয়ারি ও মেহেদি হাসান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সব ধরনের যৌন সহিংসতা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। এর আগেও আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ায় আমরা বাধ্য হয়ে ক্লাস বর্জন করেছি।’
সপ্তম শ্রেণির দুই নারী শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, নাছির আহমেদ গাজী তাঁদের সঙ্গে নানাভাবে খারাপ আচরণ করেন এবং মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। তাঁরা ওই শিক্ষকের পদত্যাগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য জুয়েল পাটোয়ারি বলেন, ‘বিগত দিনগুলোতেও তাঁর বিরুদ্ধে এ ধরনের অনেক অভিযোগ পেয়েছি। এর আগে কয়েকবার সালিসের মাধ্যমে তাঁকে সতর্ক করা হলেও তিনি সংশোধন হননি।’
ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর চাচা মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমার ভাতিজির সঙ্গে ওই শিক্ষক খারাপ আচরণ করার পর আমি তাঁকে কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন এবং ‘‘আমার কেউ কিচ্ছু করতে পারবে না ’’ বলে শাসান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মো. নাছির আহমেদ গাজী মুঠোফোনে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও পরিকল্পিত।’
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছিল। রোববার হঠাৎ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আশ্রাফ খান বলেন, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ক্লাস বর্জনের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বিদ্যালয়ে যান। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রচলিত আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনার আমতলীর ছোট নীলগঞ্জে তিন একর জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ১৭ জনকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে যায় নাবিল। খাবার খেয়ে সাইকেল নিয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশে রওনা হয়। এ সময় মুজিবনগর-মেহেরপুর সড়কের আহমদ হুজুরের বাড়ির নিকট পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে সাইকেলটির।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ প্রতিবন্ধী কার্ড করতে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে সাড়ে চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দালালের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন সমাজকর্মী রেহানা বেগম। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বলেছেন, কার্ড পেতে কোনো টাকা লাগে না।
দৈনিক টার্গেট 





















