খুলনায় পাট শ্রমিককে গুলি করে হত্যা: থানায় মামলা-গ্রেপ্তার নেই

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত হয়েছে

নিহত জলিল দৌলতপুর এলাকার সাধু বাগানের বাসিন্দা দিলু মুন্সির ছেলে। গতকাল দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে আসরের নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

তবে ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা করা হয়নি। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় এক সন্ত্রাসী জলিলের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এ নিয়ে গতকাল শনিবার সকালেও ফোনে জলিলের সঙ্গে ওই সন্ত্রাসীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে কুলিবাগান ও রেলগেট রেল কলোনি মোড় এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে জলিলকে ঘিরে ধরে।

মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের মাথায় হেলমেট থাকলেও অন্যজনের মুখ খোলা ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে স্থানীয় সন্ত্রাসী ‘রাসেল ওরফে প্যাঁচি রাসেল’ বলে শনাক্ত করেছেন। একপর্যায়ে জলিলের সঙ্গে যুবকদের ধস্তাধস্তি হয় এবং তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে নিহতের ভগ্নিপতি রনি অভিযোগ করে বলেন, দাবি করা টাকা না পেয়ে জলিলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা জলিলের ১৪ বছরের ছেলেকে ফোন করে জানতে চায় তার বাবা বেঁচে আছে কি না।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, নিহত জলিল এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি উভয়েই মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের বিরোধ ছিল। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দিবাকর রায় জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অপরাধীদের শনাক্ত ও আটকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চার যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করতে থাকেন। শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভাঙন দেখতে সেখানে আসা-যাওয়া করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের অবসান হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়…

জনপ্রিয় টার্গেট

বাংলা কিউআর: নভেম্বর থেকে ব্যক্তির টাকা যাবে ব্যক্তির কাছে

খুলনায় পাট শ্রমিককে গুলি করে হত্যা: থানায় মামলা-গ্রেপ্তার নেই

প্রকাশ: ১১:২৮:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিহত জলিল দৌলতপুর এলাকার সাধু বাগানের বাসিন্দা দিলু মুন্সির ছেলে। গতকাল দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। পরে আসরের নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

তবে ঘটনার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো মামলা করা হয়নি। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় এক সন্ত্রাসী জলিলের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এ নিয়ে গতকাল শনিবার সকালেও ফোনে জলিলের সঙ্গে ওই সন্ত্রাসীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৮টার দিকে কুলিবাগান ও রেলগেট রেল কলোনি মোড় এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে তিন যুবক এসে জলিলকে ঘিরে ধরে।

মোটরসাইকেলে থাকা দুজনের মাথায় হেলমেট থাকলেও অন্যজনের মুখ খোলা ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা তাঁকে স্থানীয় সন্ত্রাসী ‘রাসেল ওরফে প্যাঁচি রাসেল’ বলে শনাক্ত করেছেন। একপর্যায়ে জলিলের সঙ্গে যুবকদের ধস্তাধস্তি হয় এবং তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তাঁকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে নিহতের ভগ্নিপতি রনি অভিযোগ করে বলেন, দাবি করা টাকা না পেয়ে জলিলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি হত্যাকাণ্ডের পর সন্ত্রাসীরা জলিলের ১৪ বছরের ছেলেকে ফোন করে জানতে চায় তার বাবা বেঁচে আছে কি না।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে যে, নিহত জলিল এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি উভয়েই মাদক কারবার ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের বিরোধ ছিল। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দিবাকর রায় জানিয়েছেন, রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি এবং কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। অপরাধীদের শনাক্ত ও আটকে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চার যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর দশমিনা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন ঘটনাস্থলে ভিড় করতে থাকেন। শিশু, বৃদ্ধসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভাঙন দেখতে সেখানে আসা-যাওয়া করছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের অবসান হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামলের বাসভবনে কওমী ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এ বিষয়ে সমঝোতা হয়…