১০ সেপ্টেম্বর আজকের পত্রিকায় প্রকাশিত এক খবরে জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যায় উপশহরের মসজিদ মার্কেট এলাকার একটি দোকানে ক্যাশ বাক্স চুরির চেষ্টার অভিযোগে ওই কিশোরীকে আটক করেন ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা। এরপর তাকে মারধর করা হয় এবং রাত ১১টার দিকে কোমরে শিকল বেঁধে মার্কেটের সড়কে হাঁটানো হয়। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। অর্থাৎ অভিযোগের আইনি ভিত্তিটিই যদি শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হলো না, তাহলে কয়েক ঘণ্টা ধরে একজন কিশোরীর ওপর যে নির্যাতন চালানো হলো, তার দায় কে নেবে?
আইন আছে, পুলিশ আছে, আদালত আছে। অপরাধের অভিযোগ উঠলে তদন্ত হবে, প্রমাণ সংগ্রহ হবে, প্রয়োজন হলে গ্রেপ্তার হবে এবং আদালত বিচার করবেন। এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে জনতার নিজ হাতে বিচার তুলে নেওয়ার প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন একজন কিশোরী, তখন বিষয়টি আরও গুরুতর। অপরাধের অভিযোগের আড়ালে একজন শিশুকে অপমান, নির্যাতন ও প্রকাশ্যে হেনস্তা করা সভ্য সমাজের কোনো মানদণ্ডেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। শিশু আইন নিশ্চয়ই এমন নিষ্ঠুরতাকে প্রশ্রয় দেয় না।
ঘটনার তদন্ত অবশ্যই নিরপেক্ষ ও দ্রুত হওয়া দরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান প্রয়োজন। অপরাধ দমনের নামে আরেকটি অপরাধ সংঘটিত হতে দেওয়া যায় না। কারণ এমন অপরাধে শিকল শুধু কোনো ব্যক্তির কোমরেই বাঁধা হয় না, আইনের শাসনের পায়েও শিকল পরিয়ে দেওয়া হয়।
জুলাই সনদ যখন গণভোটে অনুমোদিত হলো, তার ভেতরে একটি নিঃশব্দ অঙ্গীকার ছিল: এমন একটি রাষ্ট্র, যা আর তার নাগরিককে রাতের অন্ধকারে গুম করে দেবে না। শহীদ মিনারের সিঁড়িতে যে মায়েরা এক দশক ধরে সন্তানের ল্যামিনেট-করা ছবি বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন—‘মায়ের ডাক’-এর সেই মুখগুলো—তাঁদের কাছে ওই অঙ্গীকারই…
এই সম্পাদকীয় লেখা পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ মাসে ১০০২ শিশু হাম এবং হামের উপসর্গে মৃত্যুবরণ করেছে। আমরা জানি, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হামের টিকা ক্রয়জনিত সংকটের কারণে এ পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছয় মাসের বেশি সময় পার করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬। দিবসটিকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আবারও পর্যটন খাত নিয়ে বড় স্বপ্ন দেখছে। জাতীয় সংসদে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটনকেন্দ্র চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।
দৈনিক টার্গেট 






















