চলতি বছর জুন প্রান্তিকের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, মার্চের তুলনায় তিন মাসে এসব উপশাখা থেকে সংগৃহীত আমানত বেড়েছে ৪ হাজার ৫৪৬ কোটি টাকা। মার্চে ৭৯ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে জুনে তা দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ২৬৩ কোটি টাকায়। অর্থাৎ আমানত বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। অথচ একই সময়ে দেশে পুরো ব্যাংকিং খাতে আমানত বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ হারে। অর্থাৎ ব্যাংকিং খাতের গড় বৃদ্ধির চেয়ে উপশাখায় আমানত বাড়ার গতি প্রায় আড়াই গুণ।
শুধু টাকার পরিমাণ নয়, গ্রাহকভিত্তিও দ্রুত বাড়ছে। মার্চে উপশাখায় আমানত হিসাব ছিল ৮৪ লাখ ৭০ হাজার। জুনে তা ৮৯ লাখ ৭০ হাজারে উঠেছে। তিন মাসে নতুন হিসাব যুক্ত হয়েছে প্রায় ৫ লাখ। ফলে মোট ব্যাংক আমানতে উপশাখার অংশও ৩ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ হয়েছে।
এই বিস্তারের বড় অংশ এসেছে আবার গ্রাম থেকে। উপশাখার আমানতের মধ্যে গ্রামীণ এলাকার অংশ মার্চের ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে জুনে ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশে উঠেছে। নারীদের আমানত হিসাবের অংশও ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৩৮ দশমিক ৪ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ মানুষের কাছাকাছি গিয়ে ছোট অঙ্কের সঞ্চয় সংগ্রহে উপশাখাগুলোর ভূমিকা বাড়ছে।
কিন্তু ঋণের ক্ষেত্রে সেই সাফল্য নেই। মার্চে উপশাখার ঋণ ও অগ্রিম ছিল ২২ হাজার ৩০৯ কোটি টাকা। জুনে তা নেমে এসেছে ২০ হাজার ৬০২ কোটি টাকায়। কমেছে ১ হাজার ৭০৭ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। একই সময়ে পুরো ব্যাংকিং খাতে ঋণ ও অগ্রিম বেড়েছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। উপশাখার ঋণ এখন মোট ব্যাংকঋণের মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, খরচ তুলনামূলক কম হওয়ায় ব্যাংকগুলো এখন নতুন শাখা সম্প্রসারণের পরিবর্তে উপশাখায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে একদিকে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর খরচও তুলনামূলক কম হচ্ছে।
কম খরচের এই মডেল যে ব্যাংকগুলোর কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে, তার প্রমাণ উপশাখার সংখ্যাতেও। মার্চে ৪ হাজার ৯৯২টি থেকে জুনে সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৩৩টি। অর্থাৎ তিন মাসে নিট ৪১টি উপশাখা বেড়েছে। এর মধ্যে ৩০টি গ্রামীণ ও ১৯টি শহুরে উপশাখা চালু হয়েছে; বন্ধ বা একীভূত হয়েছে আটটি।
বাংলাদেশের এলিভেটর শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে রিম ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড এলিভেটরস লিমিটেড। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দুই এলিভেটর ব্র্যান্ড ওটিস এলিভেটর এবং সাংহাই ফুজির অনুমোদিত পরিবেশক হিসেবে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।
আগস্টে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির পর সেপ্টেম্বর মাসে আবারও বেড়েছে উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম। এ মাসে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ১৫৯ টাকা ৫২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা ৬৫ পয়সা করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ৬ টাকা ১৩ পয়সা।
এনসিসি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন নির্বাচিত খুচরা মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআর পরিষেবা চালু করেছে। দেশজুড়ে ক্যাশলেস ও ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়ানো এবং গ্রাহকদের জন্য সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ পেমেন্ট সুবিধা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
দৈনিক টার্গেট 
























