এ ছাড়া বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিচারক ও বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৪২ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের আগস্ট মাসে ৫৯টি অভিযানের মাধ্যমে মোট ১ কোটি টাকা জরিমানা করা হয় এবং ৫০টি মামলা দায়ের করা হয়।
একই সময়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ১১৯৮টি খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং করা হয় এবং ১৩টি রপ্তানিযোগ্য পণ্যের স্বাস্থ্যসনদ প্রদান করা হয়।
একইভাবে, গত ৩০ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহে রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে সব মিলিয়ে ৭টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর বাস্তবায়নে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোট ৫টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে অনিবন্ধিত অবস্থায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা, নকল পণ্য উৎপাদন, পচা-বাসী খাবার বিক্রি করা এবং ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়া প্রভৃতি অপরাধের কারণে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে এই সাত দিনে চট্টগ্রাম, সিলেট ও লক্ষীপুর জেলার মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উৎপাদনস্থলে তেলাপোকা-ছারপোকার বিচরণ, অনুমোদনহীন ঘি-এর ব্যবহার, বিরিয়ানি থেরীতে কেওড়াজলের ব্যবহার, অনুমোদনহীন রং-এর ব্যবহার, পণ্যের গায়ে লেবেল না থাকা, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার উৎপাদন করা, পোড়াতেলের ব্যবহার প্রভৃতি কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুসারে উক্ত ৪টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আইন প্রয়োগের পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সারাদেশে খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১৩৭টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং পরিচালনা করা হয়। মনিটরিং কার্যক্রমের মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণের বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডিজিটাল প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার ঠেকাতেও বিশেষ বিধান রাখা হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষপূর্ণ বা ব্যক্তিগত আক্রমণমূলক বক্তব্য প্রচার করতে পারবেন না।
নীতিমালার আওতায় মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের সম্মানী দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে উৎসব ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচিত এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও (চাহিদাপত্র) লেটার উপেক্ষা করে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান।
দৈনিক টার্গেট 

























