পাচারের সময় উদ্ধার হওয়া সার কৃষকদের কাছে বিক্রি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত হয়েছে

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা তালিমগঞ্জ এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে সারের বস্তাগুলো উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে কৃষকদের মধ্যে সরকারি দরে বিক্রি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লোকমান হেকিম জানান, কে বা কারা সারগুলো মজুত করেছিলেন, তা জানা যায়নি। যেসব কৃষক সারের বস্তাগুলো আটক ও উদ্ধারে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের মধ্যেই সরকারি দরে বিক্রি করা হয়েছে।

ইউএনও মো. পারভেজ বলেন, ‘আমার উপজেলায় সার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।’

কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।

বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।

পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

পাচারের সময় উদ্ধার হওয়া সার কৃষকদের কাছে বিক্রি

প্রকাশ: ১২:০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দারা তালিমগঞ্জ এলাকার আঞ্চলিক মহাসড়কে ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার আটক করে উপজেলা প্রশাসনকে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নির্দেশে সারের বস্তাগুলো উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে কৃষকদের মধ্যে সরকারি দরে বিক্রি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. লোকমান হেকিম জানান, কে বা কারা সারগুলো মজুত করেছিলেন, তা জানা যায়নি। যেসব কৃষক সারের বস্তাগুলো আটক ও উদ্ধারে সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের মধ্যেই সরকারি দরে বিক্রি করা হয়েছে।

ইউএনও মো. পারভেজ বলেন, ‘আমার উপজেলায় সার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।’

কোস্ট গার্ড জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তজুমদ্দিন উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা বাজারসংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি স্টিলবডি ট্রলারে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড তজুমদ্দিন স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালান।

বাইচ শুরু হতেই নদীর দৃশ্য বদলে যায়। দুপাড়ের দর্শকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে টানটান উত্তেজনা। একসঙ্গে ছুটে চলা নৌকাগুলোর বইঠার আঘাতে নদীতে সৃষ্টি হতে থাকে ছোট ছোট ঢেউ। মাঝিদের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দর্শকদের উত্তেজনাও। কোনো নৌকা সামান্য এগিয়ে গেলে নদীর পাড় থেকে ওঠে উল্লাস।

পল্লী বিদ্যুতের তদন্তে চার মাসের বিলের হিসাব তুলে ধরায় অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। তবে জুলাই ও আগস্ট মাসের তিনটি মিটারের বিল যোগ করলে মোট ১০ হাজার ৬৮১ টাকা হয়। সিফাতের গ্রাহক কপি এবং পল্লী বিদ্যুতের হিসাবেও এই পরিমাণ বিলের মিল পাওয়া গেছে।