পরকালে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে থাকার উপায়

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, কিয়ামত কখন হবে?’ রাসুলুল্লাহ (সা.) তার কাছে জানতে চাইলেন, ‘তুমি কিয়ামতের জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ?’ লোকটি বিনীতভাবে জবাব দিল, ‘আমি খুব বেশি নামাজ, রোজা কিংবা সদকার প্রস্তুতি নিতে পারিনি; তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে ভালোবাসি।’

এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ঐতিহাসিক ও পরম আনন্দের বাণী শুনিয়ে বললেন—‘তুমি (আখিরাতে) তার সঙ্গেই থাকবে, যাকে তুমি ভালোবাসো।’

হজরত আনাস (রা.) বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই বাণীর চেয়ে আনন্দদায়ক আর কোনো কথা সাহাবিদের কাছে ছিল না। সহিহ মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় এসেছে, একজন ব্যক্তি রাসুল (সা.)-কে এমন এক মানুষকে ভালোবাসার কথা জিজ্ঞাসা করেছিল, যার আমল ও কাজ রাসুল (সা.)-এর মতো নয়। জবাবে প্রিয় নবী (সা.) পুনরায় নিশ্চিত করেছিলেন যে মানুষ তার প্রিয় ব্যক্তির সঙ্গেই শেষপর্যন্ত অবস্থান করবে।

তবে এই ভালোবাসার আশ্বাসের অর্থ কখনোই আমল পরিত্যাগ করা কিংবা উদাসীন হওয়া নয়। বরং সত্যিকারের নবীপ্রেম মানুষকে সুন্নাহ অনুসরণে উদ্দীপ্ত করে, পাপ থেকে দূরে সরিয়ে নেয় এবং চরিত্র গঠনে সহায়ক হয়। যে প্রেম মানুষের চালচলনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ফিরিয়ে আনে, তা-ই মূলত সত্যিকারের ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসারই সবচেয়ে সুন্দর শেষ পরিণতি হলো পরকালে জান্নাতে প্রিয় নবী (সা.)-এর মহিমান্বিত সাহচর্য লাভ করা।

মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা এক গভীর ও শক্তিশালী অনুভূতি। মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার গুণাবলি নিজের জীবনে ধারণ করতে চায় এবং তার আদর্শ অনুসরণ করে। তবে একজন মুমিনের জীবনে সবচেয়ে পবিত্র, মহিমান্বিত ও সুগভীর ভালোবাসা হলো মহান আল্লাহর প্রিয় রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন

জনপ্রিয় টার্গেট

পরকালে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে থাকার উপায়

প্রকাশ: ০৭:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হজরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, কিয়ামত কখন হবে?’ রাসুলুল্লাহ (সা.) তার কাছে জানতে চাইলেন, ‘তুমি কিয়ামতের জন্য কী প্রস্তুতি নিয়েছ?’ লোকটি বিনীতভাবে জবাব দিল, ‘আমি খুব বেশি নামাজ, রোজা কিংবা সদকার প্রস্তুতি নিতে পারিনি; তবে আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে ভালোবাসি।’

এ কথা শুনে রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ঐতিহাসিক ও পরম আনন্দের বাণী শুনিয়ে বললেন—‘তুমি (আখিরাতে) তার সঙ্গেই থাকবে, যাকে তুমি ভালোবাসো।’

হজরত আনাস (রা.) বলেন, ইসলাম গ্রহণের পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর এই বাণীর চেয়ে আনন্দদায়ক আর কোনো কথা সাহাবিদের কাছে ছিল না। সহিহ মুসলিমের অপর এক বর্ণনায় এসেছে, একজন ব্যক্তি রাসুল (সা.)-কে এমন এক মানুষকে ভালোবাসার কথা জিজ্ঞাসা করেছিল, যার আমল ও কাজ রাসুল (সা.)-এর মতো নয়। জবাবে প্রিয় নবী (সা.) পুনরায় নিশ্চিত করেছিলেন যে মানুষ তার প্রিয় ব্যক্তির সঙ্গেই শেষপর্যন্ত অবস্থান করবে।

তবে এই ভালোবাসার আশ্বাসের অর্থ কখনোই আমল পরিত্যাগ করা কিংবা উদাসীন হওয়া নয়। বরং সত্যিকারের নবীপ্রেম মানুষকে সুন্নাহ অনুসরণে উদ্দীপ্ত করে, পাপ থেকে দূরে সরিয়ে নেয় এবং চরিত্র গঠনে সহায়ক হয়। যে প্রেম মানুষের চালচলনে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ফিরিয়ে আনে, তা-ই মূলত সত্যিকারের ভালোবাসা। আর সেই ভালোবাসারই সবচেয়ে সুন্দর শেষ পরিণতি হলো পরকালে জান্নাতে প্রিয় নবী (সা.)-এর মহিমান্বিত সাহচর্য লাভ করা।

মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা এক গভীর ও শক্তিশালী অনুভূতি। মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার গুণাবলি নিজের জীবনে ধারণ করতে চায় এবং তার আদর্শ অনুসরণ করে। তবে একজন মুমিনের জীবনে সবচেয়ে পবিত্র, মহিমান্বিত ও সুগভীর ভালোবাসা হলো মহান আল্লাহর প্রিয় রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা।

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন