স্থানীয় দৈনিক ডেট্রয়েট নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগানের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের প্রতি জনসমর্থন যাচাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রতিফলন ঘটেছে এই নির্বাচনেও।
অন্যদিকে, ৬৩ বছর বয়সী মাইক রজার্স হোয়াইট লেক টাউনশিপের সাবেক কংগ্রেস সদস্য। তিনি সাত মেয়াদে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ছিলেন এবং কংগ্রেসের গোয়েন্দাবিষয়ক কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে জ্বালানি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও প্রেসক্রিপশন ওষুধের দাম কমানো, অঙ্গরাজ্যে উৎপাদনশিল্প ফিরিয়ে আনা এবং শিক্ষাকে ‘মতাদর্শিক দীক্ষাদান’-এর ঊর্ধ্বে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। এর আগে, ২০১৫ সাল থেকে মিশিগানের এই সিনেট আসনের প্রতিনিধিত্ব করে আসা ডেমোক্র্যাট সিনেটর গ্যারি পিটার্স তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়।
নির্বাচনে জয়ী হলে এল-সাইয়েদ যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নির্বাচিত প্রথম মুসলিম এবং ১৯৬৯ সালের পর সিনেটে দায়িত্ব পালন করা প্রথম ডেমোক্র্যাট চিকিৎসক হবেন। তাঁর জয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রগতিশীল অংশের অবস্থানকেও শক্তিশালী করবে। মিশিগানের মতো রাজনৈতিকভাবে দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে প্রগতিশীল প্রার্থীরাও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন বলে দলটির এই অংশের দাবি।
ধর্মীয় পরিচয় ও আরবি নামের কারণে নির্বাচনে জয়ী হওয়া কঠিন হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন এল-সাইয়েদ। নির্বাচনের আগের দিন ডেট্রয়েটের ম্যাজেস্টিক থিয়েটারে এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘তারা যখন বলে আমি জিততে পারব না, তখন তারা আসলে আমাকে নিয়ে কথা বলছে না, আপনাদের নিয়ে কথা বলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি মিশিগানকে চিনি। আমি জানি, এই অঙ্গরাজ্যের মানুষ কতটা উদার হৃদয়ের, মুক্তমনা, আন্তরিক ও কঠোর পরিশ্রমী।’
নির্বাচনের আগের দিন রচেস্টার হিলসে রিপাবলিকান প্রার্থীদের এক সমাবেশে রজার্স বলেন, ‘এই লড়াই বামপন্থা বা ডানপন্থার চেয়েও বড়। এটি নির্ধারণ করবে আমেরিকায় আমরা কারা এবং আমাদের সন্তানদের জন্য আমেরিকাকে কেমন দেখতে চাই।’

দৈনিক টার্গেট 

























