বিবৃতিতে পশ্চিম তীরে ইসরায়েল সরকারের সাম্প্রতিক আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং বলা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্বাধীন দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের সম্ভাবনাকে চরম হুমকির মুখে ফেলছে। বর্তমানে পশ্চিম তীরের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং সেখানে ইসরায়েলি দখলদার বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ও বসতি সম্প্রসারণ নজিরবিহীন মাত্রায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে বহুল বিতর্কিত ‘ই-১’ বসতি প্রকল্পে নতুন করে টেন্ডার আহ্বানের মতো সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
বিবৃতিতে পশ্চিমা জোটের এই দেশগুলো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে জমি অধিগ্রহণ এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা পুনর্ব্যক্ত করেছে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও ন্যায়সংগত শান্তি প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়ে তারা ইসরায়েলকে অবিলম্বে অবৈধ বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করা, বেসামরিক প্রশাসনিক ক্ষমতা খর্ব করা এবং সহিংসতায় জড়িত বসতি স্থাপনকারীদের উপযুক্ত বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর জোর আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে নয়াদিল্লি সফর করবেন কি না—এই বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ)। গতকাল মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন কোনো আপত্তি জানায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা এবং পশ্চিমা কূটনীতিকরা এ তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাদ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
দৈনিক টার্গেট 


























