সৌদিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বাহরাইন সেতু বন্ধ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরানসৌদি আরব-এর মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকে ঘিরে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাহরাইনের সঙ্গে সংযোগকারী একমাত্র স্থলপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সেগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও ধ্বংসাবশেষ আশপাশের জ্বালানি স্থাপনার নিকটে পড়েছে বলে জানানো হয়।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি বলেন, হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

এ ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে বন্ধ করে দেওয়া হয় কিং ফাহাদ কজওয়ে। প্রায় ২৫ কিলোমিটার (১৫.৫ মাইল) দীর্ঘ এই সেতুটি সৌদি আরব ও বাহরাইন-এর মধ্যে একমাত্র সরাসরি সড়ক সংযোগ এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সেতু বন্ধের সিদ্ধান্ত মূলত সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কা থেকেই নেওয়া হয়েছে। কারণ, অঞ্চলটিতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো যেকোনো ধরনের আক্রমণের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

উল্লেখ্য, বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর-এর সদর দপ্তর এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

বর্তমানে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে।

সৌদিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর বাহরাইন সেতু বন্ধ

প্রকাশ: ০১:৪৪:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরানসৌদি আরব-এর মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকে ঘিরে। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় সৌদি কর্তৃপক্ষ বাহরাইনের সঙ্গে সংযোগকারী একমাত্র স্থলপথ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা সূত্র জানায়, ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দেশটির তেলসমৃদ্ধ পূর্বাঞ্চল লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করা হয়। সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সেগুলো প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও ধ্বংসাবশেষ আশপাশের জ্বালানি স্থাপনার নিকটে পড়েছে বলে জানানো হয়।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি বলেন, হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে।

এ ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে বন্ধ করে দেওয়া হয় কিং ফাহাদ কজওয়ে। প্রায় ২৫ কিলোমিটার (১৫.৫ মাইল) দীর্ঘ এই সেতুটি সৌদি আরব ও বাহরাইন-এর মধ্যে একমাত্র সরাসরি সড়ক সংযোগ এবং দুই দেশের বাণিজ্য ও যাতায়াতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সেতু বন্ধের সিদ্ধান্ত মূলত সম্ভাব্য আরও হামলার আশঙ্কা থেকেই নেওয়া হয়েছে। কারণ, অঞ্চলটিতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো যেকোনো ধরনের আক্রমণের ক্ষেত্রে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।

উল্লেখ্য, বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর-এর সদর দপ্তর এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

বর্তমানে সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে।