রুইজ বলেন, ‘এটি এমন একটি দৃশ্য, যা সবাই দেখেছে এবং কেউই দেখতে পছন্দ করে না। ফুটবল অনুসরণ করে এমন অনেক ছোট শিশু আছে, তাদের সামনে আমাদের এমন কিছুকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়।’
এরপরই আর্জেন্টিনাকে কটাক্ষ করেন রুইজ, ‘জিততে জানতে হবে, হারতেও জানতে হবে। কেউই হারতে পছন্দ করে না, কিন্তু বিশ্বকাপের ফাইনালে যা ঘটেছে, সেটি ছিল দুর্ভাগ্যজনক একটি মুহূর্ত।’
রুইজ অবশ্য ফাইনালের পরের সেই ঘটনা দীর্ঘায়িত করতে চান না। তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় ভালো উদাহরণ স্থাপনের চেষ্টা করি, কারণ ছোট থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠ—সবাই ফুটবল দেখে। এটি এমন একটি মুহূর্ত ছিল, যা কেউই উপভোগ করেনি। তবে আশা করি, সময়ের সঙ্গে এটি ভুলে যাওয়া হবে এবং মানুষের স্মৃতিতে থেকে যাবে আমাদের অবিস্মরণীয় উদ্যাপন।’
ফাইনালের পর সংঘর্ষে থাকা ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নাউয়েল মলিনা। দলটির কোচিং স্টাফের সদস্য রবার্তো আয়ালাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে ঘটনাটির জন্য ফিফা পারেদেসকে ১০ ম্যাচ, মোলিনাকে ৭ ম্যাচ এবং আয়ালাকে ৩ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়।
ফাইনাল শেষে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও বলেছিলেন, ‘আমরা জয়ে যেমন ভালো, হারেও তেমন ভালো হতে হবে। আজ আমরা দেখিয়েছি যে আমরা হারতেও জানি। আমরা ম্যাচটি হেরেছি এবং তা মেনে নিচ্ছি।’
স্কালোনির সেই বক্তব্যের পরও ফাইনাল-পরবর্তী সংঘর্ষ নিয়ে বিতর্ক থামেনি। এবার রুইজের মন্তব্য সেই বিতর্কে যোগ করল নতুন মাত্রা।
সেন্ট লুসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেক হয় মেহেদী হাসান মিরাজের। সে ম্যাচে ৩ উইকেট নিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই বোলিং অলরাউন্ডার।
আসিয়ান কাপ খেলতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে বাংলাদেশ দলের। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের চেয়ে এগিয়ে থাকা ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দলের সঙ্গে গ্রুপপর্বে খেলবে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের জন্য দল নির্বাচন এবং নিজেদের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি। সাক্ষাৎকার নিয়েছে
এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে ইনিংস হারের শঙ্কা এড়িয়ে এখন লড়াইয়ের পুঁজি পেয়েছে পাকিস্তান। সফরকারীদের আশা বাঁচিয়ে রাখার অন্যতম কারিগর অভিষিক্ত রাজাউল্লাহ। ৯ নম্বরে নেমে মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি।
দৈনিক টার্গেট 























