দীর্ঘ বিরতির পর মাঠে ফিরে আবারও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিলেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমার। সান্তোসের জার্সিতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে দুটি গোল করে দলকে হার থেকে রক্ষা করলেও ম্যাচ শেষে তার জন্য অপেক্ষা করছিল হতাশার খবর। হলুদ কার্ড দেখায় লিগের পরবর্তী ম্যাচে খেলতে পারবেন না এই তারকা ফুটবলার।
ম্যাচের শুরুতে দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেললেও ধীরে ধীরে আক্রমণে গতি বাড়ায় সান্তোস। প্রথমার্ধের শেষ দিকে সতীর্থের সঙ্গে দারুণ সমন্বয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভেঙে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন নেইমার। সেই গোলেই বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল স্বাগতিকরা।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে শাপকোয়েন্স অল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি গোল করে এগিয়ে যায়। এতে চাপে পড়ে সান্তোস, আর সমতায় ফেরার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায় দলটি।
নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ দিকে সান্তোস পেনাল্টি আদায় করতে সক্ষম হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্পট কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নেইমার। তার জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
তবে ম্যাচজুড়ে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট ছিলেন নেইমার। দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষ ও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে রেফারি উভয়কেই হলুদ কার্ড দেখান। এই কার্ডই শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ব্রাজিলিয়ান লিগের নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সংখ্যক হলুদ কার্ড জমা হলে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকতে হয়। টানা তৃতীয় ম্যাচে হলুদ কার্ড পাওয়ায় আবারও সেই শাস্তির মুখে পড়েছেন নেইমার। চলতি মৌসুমে এটি তার ষষ্ঠ হলুদ কার্ড। এর আগেও একই কারণে এক ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে।
ফলে লিগে সান্তোসের পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সাও পাওলোর বিপক্ষে দলের অন্যতম ভরসার খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না ক্লাবটি। জোড়া গোল করে দলকে এক পয়েন্ট এনে দিলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে পরের ম্যাচে দর্শক হয়েই থাকতে হবে ব্রাজিলিয়ান এই তারকাকে।
দৈনিক টার্গেট 























