দুই বোনের মধ্যে হিমাদ্রী পেয়েছেন জিপিএ-৫। নিলাদ্রীর ফল জিপিএ ৪.৮৩। জাতীয় নারী হকি দলের এই দুই সদস্যই বিকেএসপির শিক্ষার্থী। পরীক্ষার আগে জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকায় পড়াশোনার জন্য প্রত্যাশিত সময় পাননি তাঁরা। ফলে ফল নিয়ে খুব বেশি প্রত্যাশাও ছিল না তাঁদের। শেষ পর্যন্ত ভালো ফল পেয়ে খুশি দুজনই।
নিলাদ্রী বলেন, ‘ভালোভাবে প্র্যাকটিস করার জন্য সেভাবে পরীক্ষা দিতে পারিনি। বেশি কিছু আশা ছিল না, তারপরও ভালো লাগছে ফল দেখে।’
হকির পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে চান দুই বোন। হিমাদ্রী বলেন, ‘ভালো লাগছে, ঢাকাতে ভালো একটা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে চাই।’
বিকেএসপির হকি বিভাগ থেকে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া সাত খেলোয়াড়ের ছয়জনই এবার উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের একজন টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ ৪.৬৭ পেয়েছেন তিনি। পরীক্ষার কারণে নির্বাচন দুটি বড় প্রতিযোগিতাও খেলতে পারেননি খই খই। তবে ফল নিয়ে তাঁর সন্তুষ্টি আছে।
খই খই বলেন, ‘আসলেই একসঙ্গে দুইটা চালানো কঠিন ছিল, পরীক্ষার জন্য আমি সিলেকশন দিতে পারিনি, যে কারণে বড় দুটি গেমস মিস করেছি, তারপরও ফলটা অপ্রত্যাশিত ছিল, খুব ভালো লাগছে।’
এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছা তাঁর। টেবিল টেনিসের জুনিয়র জাতীয় দলের আরও চার খেলোয়াড় রেশমি তঙচঙ্গা, ঐশি রহমান, নাফিস ইকবাল ও আবুল হাসেম হাসিবও এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন।
ফুটবলের দুই গোলকিপারও পেয়েছেন ভালো ফল। জাতীয় দলের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় ঐচ্ছিক বিষয়সহ জিপিএ ৪.৭১ পেয়েছে। অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলের গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন মানবিক বিভাগ থেকে পেয়েছেন জিপিএ ৪.২৫।
জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের পেসার মারুফা আক্তারও এবার বি পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত বছর পরীক্ষায় একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় এবার অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে আবার অংশ নেন তিনি।

দৈনিক টার্গেট 





















