হঠাৎ কেন টেস্টে এমন ছন্দপতন—আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শান্তর কাছে জিজ্ঞেস করা হয়। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি, ড্রেসিংরুমের পরিবেশ এবং আমাদের প্রস্তুতি—দুটোই ভালো ছিল। খেলোয়াড়রা দলের জন্য ভালো করতে সত্যিই চেয়েছিল। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে, এটি আমাদের জন্য একটি খারাপ দিন ছিল। কারণ, আগেই বলেছি যে তিনটি বিভাগেই আমরা ভালো করতে পারিনি। বিশেষ করে ফিল্ডিংয়েও।’
ব্যাটিং ব্যর্থতার পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও ব্যর্থ বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে চার ক্যাচ মিস করেছে স্বাগতিকেরা। মুমিনুল হক একাই দুই ক্যাচ মিস করে এমন অবস্থা বানিয়েছেন যে ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছেন। শরীফুল ইসলাম কট এন্ড বোল্ডের সুযোগ হাতছাড়া করেন জন ক্যাম্পবেলের। ক্যাম্পবেলকে জীবন দিয়েছেন নাঈম হাসানও। দুইবার জীবন পেয়ে ফিফটি করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি ওপেনার।
দ্বিতীয় ইনিংসেও বাংলাদেশ ক্যাচ মিস করেছে। যদিও স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত পুঁজি না থাকায় সেটা তেমন একটা নজরে আসেনি। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫.১ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। ৮ উইকেটে হারের পর শান্ত বলেন, ‘আমার মতে এটা হতাশাজনক পারফরম্যান্স। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিনটি বিভাগেই নিজেদের সেরাটা দিতে পারিনি। বিষয়গুলো অবশ্যই দুশ্চিন্তার কারণ।’
প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। টেলএন্ডার ব্যাটার নাঈম হাসানের ৫২ রানই সর্বোচ্চ। তাওহীদ হৃদয়, তানজিদ হাসান তামিম এবার ডাক মেরেছেন। তাছাড়া শান্ত দুই ইনিংস মিলে করেন ২৯ রান। হারের ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আসলেই দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং যথেষ্ট বাজে হয়েছে। আমার মতে ক্রিকেটে মাঝেমধ্যে এমনটা হতেই পারে।’
৮ উইকেটে জিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজরা। শান্ত-মিরাজরা সিলেটে নামবেন সিরিজ বাঁচাতে। ৫ নভেম্বর শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।

দৈনিক টার্গেট 


























