সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • ২৪৩ বার পঠিত হয়েছে

জিয়াউর রহমান

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে তিনি শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি এবং তার সহযোগী সংগঠনসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক জন বিপ্লবী নেতাও। তাঁর শাসনামলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। আজকের দিনে আমরা তাঁর আদর্শ ও অবদানকে স্মরণ করি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তাঁর চেতনা বুকে ধারণ করি।”

দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে বিএনপির জেলা ও মহানগর শাখাগুলো আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন। ১৯৭৭ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৮১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখনও দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে সক্রিয়।

দেশবাসীর মধ্যে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণে দিনটি গভীর ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশ: ০৩:৩৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে তিনি শহীদ হন।

দিবসটি উপলক্ষে বিএনপি এবং তার সহযোগী সংগঠনসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রপতি ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক জন বিপ্লবী নেতাও। তাঁর শাসনামলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল। আজকের দিনে আমরা তাঁর আদর্শ ও অবদানকে স্মরণ করি এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তাঁর চেতনা বুকে ধারণ করি।”

দিবসটি উপলক্ষে সারাদেশে বিএনপির জেলা ও মহানগর শাখাগুলো আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন। ১৯৭৭ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৮১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এখনও দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে সক্রিয়।

দেশবাসীর মধ্যে তার প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণে দিনটি গভীর ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হয়।