সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের মোট ৫০টি সংসদীয় কমিটির মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এবং ১১টি সংসদ-সংক্রান্ত। এর মধ্যে ২৫টি কমিটির গঠনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। গঠিত কমিটির মধ্যে ১৯টিই মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত।
ঘোষিত তালিকায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন হুইপ রকিবুল ইসলাম। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হুইপ জি কে গউছ। ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি নাসের রহমান। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল।
সভাপতি গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রণালয় (যদি সংসদ-সদস্য হন) ; মো. শহিদুল ইসলাম (ফরিদপুর-৪) ; মো. মোস্তাফিজুর রহমান (নওগাঁ-১) ; মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার (জামালপুর-৪) ; মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ (ময়মনসিংহ-৪) ; মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (মৌলভীবাজার-৪) ; মোছা. সাবিরা সুলতানা (মহিলা আসন-১৪) ; মো. গোলাম রছুল (যশোর-৪) ; মো. রায়হান সিরাজী (রংপুর-১)।
সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া (কুমিল্লা-২), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় (যদি সংসদ-সদস্য হন) ; ববি হাজ্জাজ (ঢাকা-১৩) ; রেজা কিবরিয়া (হবিগঞ্জ-১) ; মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা (গোপালগঞ্জ-১) ; মো. জাহান্দার আলী মিয়া (মাদারীপুর-২) ; মোছা. তাহসিনা রুশদীর (সিলেট-২) ; বীথিকা বিনতে হোসাইন (মহিলা আসন-২৪) ; মো. মুজিবুর রহমান (রাজশাহী-১) ; আতিকুর রহমান মোজাহিদ (কুড়িগ্রাম-২)।
সভাপতি সেলিমা রহমান (মহিলা আসন-১), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, রাশেদা বেগম হীরা (মহিলা আসন-৩) ; বিলকিস ইসলাম (মহিলা আসন-৭) ; আন্না মিন্জ (মহিলা আসন-১৯) ; মাধবী মার্মা (মহিলা আসন-৩৪) ; ফাহিমা নাসরিন (মহিলা আসন-২৯) ; আলফারুক আব্দুল লতীফ (নীলফামারী-২) ; নূরুন্নিসা সিদ্দীকা (মহিলা আসন-৩৭) ; সাবিকুন্নাহার (মহিলা আসন-৩৯)।
সভাপতি রকিবুল ইসলাম (খুলনা-৩), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, হাবিবুর রশিদ (ঢাকা-৯) ; লুৎফুর রহমান (কক্সবাজার-৩) ; মো. রুহুল আমীন দুলাল (পিরোজপুর-৩) ; মো. শহিদুল ইসলাম (ফরিদপুর-৪) ; মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান (ময়মনসিংহ-১০) ; নেওয়াজ হালিমা আরলী (মহিলা আসন-৫) ; মো. রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪) ; মো. মতিয়ার রহমান (ঝিনাইদহ-৩)।
সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (টাঙ্গাইল-৭), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; আলতাফ হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১) ; লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (ময়মনসিংহ-৮) ; সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম (দিনাজপুর-৩) ; আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ (চট্টগ্রাম-১৪) ; মোছা. সুরাইয়া জেরিন (মহিলা আসন-২৫) ; শওকত আরা আক্তার (মহিলা আসন-৩৩) ; মাছুম মোস্তফা (নেত্রকোনা-৫) ; মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪)।
সভাপতি মো. আমানউল্লাহ আমান (ঢাকা-২), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; ইয়াসের খান চৌধুরী (ময়মনসিংহ-৯) ; মো. আশরাফ উদ্দিন (নরসিংদী-৫) ; মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল (জামালপুর-৩) ; মো. মজিবুর রহমান (গাজীপুর-১) ; নিলোফার চৌধুরী মনি (মহিলা আসন-১০) ; ফাহমিদা হক (মহিলা আসন-১৮) ; মো. শফিকুল ইসলাম (পটুয়াখালী-২) ; মোছা. নাজমুন নাহার (মহিলা আসন-৪০)।
সভাপতি আলহাজ মো. জি কে গউছ (হবিগঞ্জ-৩), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শেখ ফরিদুল ইসলাম (বাগেরহাট-৩) ; মো. জাহিদুল ইসলাম ধলু (নওগাঁ-৫) ; মো. আবদুল মান্নান (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫) ; সরোয়ার আলমগীর (চট্টগ্রাম-২) ; সুলতানা জেসমিন (মহিলা আসন-৪৯) ; মো. মাহবুবুল আলম (কুড়িগ্রাম-৩) ; মো. আব্দুল আলীম (বাগেরহাট-৪) ; মো. আবুল কালাম আজাদ (খুলনা-৬)।
সভাপতি নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রণালয়; মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন (চট্টগ্রাম-৫) ; জয়নাল আবদিন (ফেনী-২) ; সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ (বরিশাল-২) ; শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন (জামালপুর-৫) ; এরশাদ উল্লাহ (চট্টগ্রাম-৮) ; সুলতানা আহমেদ (মহিলা আসন-১৭) ; মো. মাহবুবুর রহমান বেলাল (রংপুর-৩) ; মুহাম্মদুল্লাহ (ময়মনসিংহ-২)।
সভাপতি রফিকুল ইসলাম জামাল (ঝালকাঠি-১), সদস্যরা হলেন—ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, ধর্ম মন্ত্রণালয়; মোহাম্মদ শামীম কায়সার (গাইবান্ধা-৪) ; আজহারুল ইসলাম মান্নান (নারায়ণগঞ্জ-৩) ; নুরুল আমিন (চট্টগ্রাম-১) ; নিপুন রায় চৌধুরী (মহিলা আসন-১১) ; সুবর্ণা সিকদার (মহিলা আসন-২০) ; মো. নুরুল আমীন (রংপুর-৬) ; মোহাম্মদ আবুল হাসান (সিলেট-৫) ; মুহাম্মাদ আব্দুল খালেক (সাতক্ষীরা-২)।
সংসদে একটি মিডিয়ার বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে নিয়ে ১০৯টি ‘উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ’ প্রকাশ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ । কিন্তু সেগুলো অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ায় প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করতে পারেননি বলে দাবি করেন তিনি। বিরোধীদলের সদস্যদের লক্ষ্য করে অনলাইনে অপতথ্য ছড়ানো হলে
সংসদ ভবনের সামনে ছিনতাইকারীর হামলায় নারী শিক্ষিকার মৃত্যু, বিমানবন্দরে ছাত্রদল নেতা কর্তৃক স্বর্ণালংকার ছিনতাই, ধানমন্ডিতে প্রকাশ্য দিবালোকে ৩৯ লক্ষ টাকা ছিনতাই, মুগদা হাসপাতালে প্রকাশ্য দিবালোকে ছিনতাই, যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে নিহত। অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের সুযোগে গাড়ি চুরি, সিঁধেল চুরি…
‘মৃত ব্যক্তি যাঁরা সারের ডিলার ছিলেন, তাঁদের নামে এখনো ডিলারশিপ আছে। এক ইউনিয়নের না, অন্য জেলার মানুষ সারের ডিলার ছিল, সেটা এখনো আছে। আর ন্যায্যমূল্যের কথা যে বলেছেন, উনি ওনার আসনের বলেছেন, আমিও আমার কলমাকান্দা দুর্গাপুরে খবর নিয়েছি একই অবস্থা। মাননীয় মন্ত্রী…
দৈনিক টার্গেট 


























