তিন বান্ধবী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৩ বার পঠিত হয়েছে

তরুণ-তরুণীর প্রেম চিরকালই অভিভাবকদের চক্ষুশূল হয়েছে। কিন্তু তাতে প্রেমের ভরাডুবি ঘটেছে, এমন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যেখানে স্বাভাবিক আচরণগুলোকে গোপন করে রাখতে হয়, সেখানে সেই গোপনীয়তার দিকেই আকৃষ্ট হয় মানুষ। সব কিশোর-কিশোরী তো আর ইউএনও সাহেবের নজরে পড়বে না। তাই তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে হলে যে কাজগুলো করতে হবে, সেগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে পরিবারকেই। এবং পরিবারের পর সে দায়িত্ব বর্তায় শিক্ষকদের ওপর। আরও বড় ব্যাপার হলো সমাজে কী ঘটছে, সেগুলোও শিশু-কিশোরের মনে রেখাপাত করে। তাই বকাবকি, মুচলেকা নয়, এ সময়ের শিশু-কিশোরের মানসগঠনে কোনো শূন্যতা থাকছে কি না, সেটা নিয়েই গবেষণা করা উচিত।

ধরা পড়া এই তিন বান্ধবীর পোশাক-আশাক কোনো কিছুর বার্তা দেয় না। বরং এটাই পরিষ্কার করে যে সমাজের যেকোনো স্তরের শিশু-কিশোরেরাই স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করবে।

পরিবারে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা, অন্যকে ভালোবাসার শিক্ষা দেওয়ার যে ঐতিহ্য ছিল আমাদের, তা কি ভেঙে গেছে? অভিভাবকদের সম্মান না করে তাদের অপদস্থ করার যে রেওয়াজ ইদানীং দেখা যাচ্ছে, সেটাও কি শিশু-কিশোরদের বেঁকে যাওয়ার একটা বড় কারণ?

স্কুলেও যাবে, পার্কেও যাবে ওরা। এ নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু কোথায় কখন যাবে, কোথায় কার সঙ্গে যাবে, সেই মূল্যবোধটি জীবনে চর্চার মাধ্যমে ঠিক করতে হয়। সেদিকেই দৃষ্টি দিন।

ঢাকা শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি কলেজগুলো নিয়ে গঠিত হয় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এটা প্রতিষ্ঠার জন্য ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (অধ্যাদেশ জারি হয় ৮ ফেব্রুয়ারি, তবে ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়)।

জাতীয় অর্থনীতির পরিমাপকগুলো যখন পরিসংখ্যানের খাতায় প্রবৃদ্ধির হিসাব কষে, ঠিক তখনই রান্নাঘরের কাঠের হাঁড়ি কিংবা বাজারের থলিতে এসে ধাক্কা খায় বাস্তব চিত্র। গত কয়েক বছরে নিত্যপণ্যের বাজারে যে হারে অগ্নিমূল্য তৈরি হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। এমন এক সময়ে সরকারি কর্মচারীদের

জনপ্রিয় টার্গেট

শেষকৃত্য সম্পন্ন করার ১৫ দিন পর কারাগার থেকে ফোনকল— ‘আপনার ছেলে জীবিত’

তিন বান্ধবী

প্রকাশ: ০৭:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তরুণ-তরুণীর প্রেম চিরকালই অভিভাবকদের চক্ষুশূল হয়েছে। কিন্তু তাতে প্রেমের ভরাডুবি ঘটেছে, এমন উদাহরণ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। যেখানে স্বাভাবিক আচরণগুলোকে গোপন করে রাখতে হয়, সেখানে সেই গোপনীয়তার দিকেই আকৃষ্ট হয় মানুষ। সব কিশোর-কিশোরী তো আর ইউএনও সাহেবের নজরে পড়বে না। তাই তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে হলে যে কাজগুলো করতে হবে, সেগুলোর দায়িত্ব নিতে হবে পরিবারকেই। এবং পরিবারের পর সে দায়িত্ব বর্তায় শিক্ষকদের ওপর। আরও বড় ব্যাপার হলো সমাজে কী ঘটছে, সেগুলোও শিশু-কিশোরের মনে রেখাপাত করে। তাই বকাবকি, মুচলেকা নয়, এ সময়ের শিশু-কিশোরের মানসগঠনে কোনো শূন্যতা থাকছে কি না, সেটা নিয়েই গবেষণা করা উচিত।

ধরা পড়া এই তিন বান্ধবীর পোশাক-আশাক কোনো কিছুর বার্তা দেয় না। বরং এটাই পরিষ্কার করে যে সমাজের যেকোনো স্তরের শিশু-কিশোরেরাই স্কুল ফাঁকি দিয়ে পার্কে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করবে।

পরিবারে অসাম্প্রদায়িকতা, মানবতা, অন্যকে ভালোবাসার শিক্ষা দেওয়ার যে ঐতিহ্য ছিল আমাদের, তা কি ভেঙে গেছে? অভিভাবকদের সম্মান না করে তাদের অপদস্থ করার যে রেওয়াজ ইদানীং দেখা যাচ্ছে, সেটাও কি শিশু-কিশোরদের বেঁকে যাওয়ার একটা বড় কারণ?

স্কুলেও যাবে, পার্কেও যাবে ওরা। এ নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু কোথায় কখন যাবে, কোথায় কার সঙ্গে যাবে, সেই মূল্যবোধটি জীবনে চর্চার মাধ্যমে ঠিক করতে হয়। সেদিকেই দৃষ্টি দিন।

ঢাকা শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি কলেজগুলো নিয়ে গঠিত হয় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এটা প্রতিষ্ঠার জন্য ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (অধ্যাদেশ জারি হয় ৮ ফেব্রুয়ারি, তবে ৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়)।

জাতীয় অর্থনীতির পরিমাপকগুলো যখন পরিসংখ্যানের খাতায় প্রবৃদ্ধির হিসাব কষে, ঠিক তখনই রান্নাঘরের কাঠের হাঁড়ি কিংবা বাজারের থলিতে এসে ধাক্কা খায় বাস্তব চিত্র। গত কয়েক বছরে নিত্যপণ্যের বাজারে যে হারে অগ্নিমূল্য তৈরি হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। এমন এক সময়ে সরকারি কর্মচারীদের