রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট দেওয়া শুরু করেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলার কথা রয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে ব্যালট গণনার কার্যক্রম। পরে গণনা শেষে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটে অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যদের জন্য বেশ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় প্রত্যেক ভোটারকে সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হচ্ছে।

ভোটের প্রক্রিয়ায় প্রথমে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন। এরপর সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট সদস্যের নাম ও নির্বাচনী নম্বর উল্লেখ থাকা ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন।

ব্যালট পাওয়ার পর এর সঙ্গে থাকা কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়ির নির্ধারিত অংশে সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম লিখতে হবে। ওই অংশটি পরে সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

এরপর ব্যালট পেপারে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখতে হবে। ভোট শেষ হলে ব্যালটটি সংসদ কক্ষে রাখা নির্দিষ্ট ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

ব্যালট পূরণের সময় কোনো সদস্যের ব্যালট নষ্ট হয়ে গেলে সেটি নিজের কাছে রেখে দেওয়া যাবে না। ব্যালট বাক্সে ফেলার আগেই তা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

ভোটকক্ষে মানতে হবে যেসব নিয়ম

ভোট চলাকালে সংসদ কক্ষে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। একইভাবে ভোটগ্রহণের সময় কোনো সংসদ সদস্য বক্তব্য বা ভাষণ দিতে পারবেন না।

ভোট প্রদানের সময় কোনো সদস্য সমস্যার মুখোমুখি হলে চিফ হুইপ অথবা বিরোধী দলের চিফ হুইপের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এবারের ভোটের ক্ষেত্রে ব্যালট পেপারে ভোটারের স্বাক্ষরের পরিবর্তে সংসদ সদস্যদের পূর্ণ নাম লেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভোট গণনা হবে যেভাবে

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই গণনার প্রস্তুতি শুরু হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি সব সংসদ সদস্য ভোট দিয়ে ফেলেন, তাহলে আগেই গণনা শুরু করার সুযোগ রয়েছে।

গণনার শুরুতে কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ হয়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট ব্যবহার করা হয়নি—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা কে কতটি বৈধ ভোট পেয়েছেন, তা গণনা করা হবে।

গণনা শেষে সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯। সংসদ ভবনের নির্ধারিত ভোটকক্ষে সংসদ সদস্যরা তাদের আসন নম্বর অনুযায়ী ভোট দিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল জানানো হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদে ভোটগ্রহণ শুরু

প্রকাশ: ০২:২৪:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ভোট দেওয়া শুরু করেন সংসদ সদস্যরা। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলার কথা রয়েছে। ভোট শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হবে ব্যালট গণনার কার্যক্রম। পরে গণনা শেষে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটে অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যদের জন্য বেশ কিছু নিয়ম নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় প্রত্যেক ভোটারকে সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হচ্ছে।

ভোটের প্রক্রিয়ায় প্রথমে সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে অবস্থান করবেন। এরপর সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট সদস্যের নাম ও নির্বাচনী নম্বর উল্লেখ থাকা ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন।

ব্যালট পাওয়ার পর এর সঙ্গে থাকা কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়ির নির্ধারিত অংশে সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম লিখতে হবে। ওই অংশটি পরে সহকারী নির্বাচনী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

এরপর ব্যালট পেপারে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে ভোট দিতে হবে। ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখতে হবে। ভোট শেষ হলে ব্যালটটি সংসদ কক্ষে রাখা নির্দিষ্ট ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

ব্যালট পূরণের সময় কোনো সদস্যের ব্যালট নষ্ট হয়ে গেলে সেটি নিজের কাছে রেখে দেওয়া যাবে না। ব্যালট বাক্সে ফেলার আগেই তা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।

ভোটকক্ষে মানতে হবে যেসব নিয়ম

ভোট চলাকালে সংসদ কক্ষে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার চালানো নিষিদ্ধ। একইভাবে ভোটগ্রহণের সময় কোনো সংসদ সদস্য বক্তব্য বা ভাষণ দিতে পারবেন না।

ভোট প্রদানের সময় কোনো সদস্য সমস্যার মুখোমুখি হলে চিফ হুইপ অথবা বিরোধী দলের চিফ হুইপের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এবারের ভোটের ক্ষেত্রে ব্যালট পেপারে ভোটারের স্বাক্ষরের পরিবর্তে সংসদ সদস্যদের পূর্ণ নাম লেখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভোট গণনা হবে যেভাবে

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই গণনার প্রস্তুতি শুরু হবে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যদি সব সংসদ সদস্য ভোট দিয়ে ফেলেন, তাহলে আগেই গণনা শুরু করার সুযোগ রয়েছে।

গণনার শুরুতে কতজন সংসদ সদস্য ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ হয়েছে, কতটি বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট ব্যবহার করা হয়নি—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা কে কতটি বৈধ ভোট পেয়েছেন, তা গণনা করা হবে।

গণনা শেষে সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯। সংসদ ভবনের নির্ধারিত ভোটকক্ষে সংসদ সদস্যরা তাদের আসন নম্বর অনুযায়ী ভোট দিচ্ছেন। ভোটগ্রহণ ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল জানানো হবে।