উসমানীয় সাম্রাজ্যের ক্ষমতাধর এক নারী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

১৬১৭ সালে সুলতান আহমেদের মৃত্যুর পর কোসেম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রাসাদ ছাড়তে বাধ্য হন। তবে তিনি দমে যাননি। নিজের এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তিনি ক্ষমতার রাজনীতিতে ফেরেন। ১৬২৩ সালে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে চতুর্থ মুরাদকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসাতে সক্ষম হন কোসেম। ছেলে ছোট হওয়ায় তিনি নায়েব-ই-সালতানাত বা প্রধান রাজপ্রতিনিধি পদবি গ্রহণ করেন। ১৬২৩ থেকে ১৬৩২ সাল পর্যন্ত সাম্রাজ্যের মূল অভিভাবক হিসেবে কার্যত একক শক্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। এভাবে একজন সাধারণ দাসী থেকে তিনি উসমানীয় ইতিহাসের অন্যতম পরাক্রমশালী নারী শাসকে পরিণত হন।

কোসেম সুলতান মিসরের বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের সাহায্য করেন, মক্কার গরিব ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দেন। তিনি গরিব পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য করতেন অকাতরে। ১৬৪০ সালে উস্কুদারে একটি মসজিদ ও স্কুল নির্মাণ করেন। ১৬৫১ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। ষোলো শতকের প্রথম ভাগে হুররাম সুলতানের সময় নারী ক্ষমতায়নের যে সূচনা ঘটেছিল, কোসেম সুলতানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার ইতি ঘটে।

নারী অধিকারের অন্যতম মৌলিক সনদ বলা হয় সিইডিএডব্লিউ বা সিডওকে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮৯টি দেশ জাতিসংঘ ঘোষিত এই সনদে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এখন পর্যন্ত এই সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেয়নি।

কায়রোর অদূরে নীল নদের বদ্বীপ এলাকার এক ছোট্ট ঘর। সেখানে এখন নতুন শিক্ষাবর্ষের আবাহন। বাতাসে ভাসছে নতুন বইয়ের গন্ধ। কিন্তু সাত বছরের মেয়ের মা আমাল আবদেল হামিদ, এক অদ্ভুত দোলাচলে দিন গুনছিলেন। দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা এক ঘোর অন্ধকার রাত্রির শেষে প্রথমবারের মতো তাঁর চোখে ফুটে ওঠে ভোরের আলো।

কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেওয়া, সংকোচ ও ভুল ধারণা দূর করা এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে উত্তরা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মনের কথা’ শীর্ষক বিশেষ সচেতনতামূলক আয়োজন।

জনপ্রিয় টার্গেট

কালিয়াকৈর গ্রিডের ত্রুটিতে সাটুরিয়ায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ভোগান্তিতে ৪৭ হাজার গ্রাহক

উসমানীয় সাম্রাজ্যের ক্ষমতাধর এক নারী

প্রকাশ: ১১:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৬১৭ সালে সুলতান আহমেদের মৃত্যুর পর কোসেম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে প্রাসাদ ছাড়তে বাধ্য হন। তবে তিনি দমে যাননি। নিজের এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে তিনি ক্ষমতার রাজনীতিতে ফেরেন। ১৬২৩ সালে নিজের অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে চতুর্থ মুরাদকে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সিংহাসনে বসাতে সক্ষম হন কোসেম। ছেলে ছোট হওয়ায় তিনি নায়েব-ই-সালতানাত বা প্রধান রাজপ্রতিনিধি পদবি গ্রহণ করেন। ১৬২৩ থেকে ১৬৩২ সাল পর্যন্ত সাম্রাজ্যের মূল অভিভাবক হিসেবে কার্যত একক শক্তিতে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। এভাবে একজন সাধারণ দাসী থেকে তিনি উসমানীয় ইতিহাসের অন্যতম পরাক্রমশালী নারী শাসকে পরিণত হন।

কোসেম সুলতান মিসরের বন্যাদুর্গত ব্যক্তিদের সাহায্য করেন, মক্কার গরিব ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা দেন। তিনি গরিব পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সাহায্য করতেন অকাতরে। ১৬৪০ সালে উস্কুদারে একটি মসজিদ ও স্কুল নির্মাণ করেন। ১৬৫১ সালের ২ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। ষোলো শতকের প্রথম ভাগে হুররাম সুলতানের সময় নারী ক্ষমতায়নের যে সূচনা ঘটেছিল, কোসেম সুলতানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তার ইতি ঘটে।

নারী অধিকারের অন্যতম মৌলিক সনদ বলা হয় সিইডিএডব্লিউ বা সিডওকে। বর্তমানে বিশ্বের ১৮৯টি দেশ জাতিসংঘ ঘোষিত এই সনদে স্বাক্ষর বা সম্মতি দিয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ হাতে গোনা কয়েকটি দেশ এখন পর্যন্ত এই সনদের পূর্ণাঙ্গ অনুমোদন দেয়নি।

কায়রোর অদূরে নীল নদের বদ্বীপ এলাকার এক ছোট্ট ঘর। সেখানে এখন নতুন শিক্ষাবর্ষের আবাহন। বাতাসে ভাসছে নতুন বইয়ের গন্ধ। কিন্তু সাত বছরের মেয়ের মা আমাল আবদেল হামিদ, এক অদ্ভুত দোলাচলে দিন গুনছিলেন। দীর্ঘ আট বছর ধরে চলা এক ঘোর অন্ধকার রাত্রির শেষে প্রথমবারের মতো তাঁর চোখে ফুটে ওঠে ভোরের আলো।

কিশোরীদের মাসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য দেওয়া, সংকোচ ও ভুল ধারণা দূর করা এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে উঠতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে উত্তরা গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘মনের কথা’ শীর্ষক বিশেষ সচেতনতামূলক আয়োজন।