অভিনয়ে না আসার কারণ জানালেন নায়করাজপত্র বাপ্পী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১০:০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৬ বার পঠিত হয়েছে

অনেকেই মনে করেন বাপ্পী ছোটবেলা থেকেই দেশের বাইরে থাকেন। তবে পডকাস্টে তিনি জানান, তাঁর জীবনের বড় একটা সময় কেটেছে মা-বাবার সঙ্গেই। বাপ্পী বলেন, ‘অন্য ভাইবোনদের মতো আমিও তেজগাঁও শাহীন স্কুলে পড়েছি। এরপর নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৪ সালে কানাডায় চলে আসি। আমি যখন চলে আসি, আব্বা একেবারেই রাজি ছিলেন না। বারবার বলছিলেন—সেখানে গিয়ে তুমি কী করবে? তখন আমার মেয়ে কানাডায় পড়ালেখা করছিল। তাঁকে বোঝানোর পর তিনি রাজি হন। উনি কিন্তু খুব কঠিন মানুষ ছিলেন। নিজের অনুভূতি সবাইকে বুঝতে দিতেন না। আমি চলে আসার পর আম্মার কাছ থেকে শুনেছি, রুম বন্ধ করে আব্বা অনেক কেঁদেছিলেন।’ এ কথা বলার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাপ্পী।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই বাবার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনের সঙ্গে যুক্ত হন বাপ্পী। সে সময়ের স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, তখন আব্বা বললেন, তুমি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি দেখো। এরপর পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনে সময় দিতে শুরু করি। “সৎ ভাই” সিনেমা থেকে আমি প্রযোজনার কাজের সঙ্গে যুক্ত। এরপর “চাপাডাঙ্গার বউ” দিয়ে বড় ভাই বাপ্পারাজ সিনেমায় নাম লেখায়। আর সম্রাট তখন অনেক ছোট।’

একসময় অভিনয়ে আসার বেশ আগ্রহ ছিল বাপ্পীর। পরবর্তী সময়ে পড়াশোনা ও ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় অভিনয়ে আর আসা হয়নি। বাপ্পী বলেন, ‘অভিনয় করার আগ্রহ ছিল। মার্শাল আর্টও শিখেছিলাম। কারণ সে সময় সোহেল রানা আঙ্কেল মার্শাল আর্টের সিনেমা শুরু করেছিলেন, যা আমার খুব ভালো লেগেছিল। আব্বাও মার্শাল আর্ট শিখতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনার চাপ বেড়ে যাওয়ায় আর মনোযোগ দিতে পারিনি। এরপর ব্যবসায় যখন ঢুকে গেলাম, তখন মন ঘুরে যায়। তবে সিনেমার পেছনে অনেক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বিশেষ করে “বাবা কেন চাকর” সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে রেকর্ডিং পর্যন্ত আব্বার সঙ্গেই ছিলাম।’

বাবা হিসেবে নায়করাজ রাজ্জাক কেমন ছিলেন জানাতে চাইলে বাপ্পী বলেন, ‘বাবা হিসেবে উনি ছিলেন অসাধারণ। একজন পারফেক্ট বাবা হিসেবে সন্তানদের যেভাবে মানুষ করতে হয়, ঠিক সেভাবেই আমাদের গড়ে তুলেছেন। উনার শাসন যেমন কড়া ছিল, তেমনি সন্তানদের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা। সন্তানদের সময় দেওয়া, খোঁজখবর রাখার বিষয়গুলো তিনি খুব খেয়াল রাখতেন। প্রায়ই আমাদের নিয়ে ঢাকার বাইরে ঘুরতে যেতেন।’

চয়নিকার নতুন নাটকে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

চয়নিকার নতুন নাটকে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

কদিন আগেই প্রচারে আসা চয়নিকা চৌধুরীর ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ নাটকে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত ও ডলি জহুর। এ সপ্তাহে চয়নিকার আরও এক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করলেন তাঁরা। নাটকের নাম ‘আহারে জীবন’। রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। নাটকের আরও দুটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। নির্ম

২১ বছর পর প্লেব্যাকে শানু-উদিত জুটি

২১ বছর পর প্লেব্যাকে শানু-উদিত জুটি

নব্বইয়ের দশকের হিন্দি গানের সোনালি সময়ের কথা উঠলেই অবধারিতভাবে উঠে আসে উদিত নারায়ণ ও কুমার শানুর নাম। দীর্ঘ দুই দশকের বিরতি ভেঙে ফের একসঙ্গে প্লেব্যাক করলেন এ দুই সংগীতশিল্পী। সানি দেওলের আসন্ন ক্রাইম থ্রিলার ‘সুরিয়া: অন্ত সে আরম্ভ তাক’ সিনেমার ‘সুনিয়ো জারা’ গানটি শোনা যাবে তাঁদের কণ্ঠে।

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার প্রদান

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার প্রদান

গতকাল দুপুর ১২টায় চ্যানেল আই স্টুডিওতে দেওয়া হলো ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার। এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন। রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিক আবদুর রহমান।

জনপ্রিয় টার্গেট

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, শিশুসহ আহত ৩

অভিনয়ে না আসার কারণ জানালেন নায়করাজপত্র বাপ্পী

প্রকাশ: ১০:০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অনেকেই মনে করেন বাপ্পী ছোটবেলা থেকেই দেশের বাইরে থাকেন। তবে পডকাস্টে তিনি জানান, তাঁর জীবনের বড় একটা সময় কেটেছে মা-বাবার সঙ্গেই। বাপ্পী বলেন, ‘অন্য ভাইবোনদের মতো আমিও তেজগাঁও শাহীন স্কুলে পড়েছি। এরপর নটর ডেম কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৪ সালে কানাডায় চলে আসি। আমি যখন চলে আসি, আব্বা একেবারেই রাজি ছিলেন না। বারবার বলছিলেন—সেখানে গিয়ে তুমি কী করবে? তখন আমার মেয়ে কানাডায় পড়ালেখা করছিল। তাঁকে বোঝানোর পর তিনি রাজি হন। উনি কিন্তু খুব কঠিন মানুষ ছিলেন। নিজের অনুভূতি সবাইকে বুঝতে দিতেন না। আমি চলে আসার পর আম্মার কাছ থেকে শুনেছি, রুম বন্ধ করে আব্বা অনেক কেঁদেছিলেন।’ এ কথা বলার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাপ্পী।

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়েই বাবার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনের সঙ্গে যুক্ত হন বাপ্পী। সে সময়ের স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, তখন আব্বা বললেন, তুমি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি দেখো। এরপর পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে রাজলক্ষ্মী প্রোডাকশনে সময় দিতে শুরু করি। “সৎ ভাই” সিনেমা থেকে আমি প্রযোজনার কাজের সঙ্গে যুক্ত। এরপর “চাপাডাঙ্গার বউ” দিয়ে বড় ভাই বাপ্পারাজ সিনেমায় নাম লেখায়। আর সম্রাট তখন অনেক ছোট।’

একসময় অভিনয়ে আসার বেশ আগ্রহ ছিল বাপ্পীর। পরবর্তী সময়ে পড়াশোনা ও ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় অভিনয়ে আর আসা হয়নি। বাপ্পী বলেন, ‘অভিনয় করার আগ্রহ ছিল। মার্শাল আর্টও শিখেছিলাম। কারণ সে সময় সোহেল রানা আঙ্কেল মার্শাল আর্টের সিনেমা শুরু করেছিলেন, যা আমার খুব ভালো লেগেছিল। আব্বাও মার্শাল আর্ট শিখতে উৎসাহ দিয়েছিলেন। কিন্তু পড়াশোনার চাপ বেড়ে যাওয়ায় আর মনোযোগ দিতে পারিনি। এরপর ব্যবসায় যখন ঢুকে গেলাম, তখন মন ঘুরে যায়। তবে সিনেমার পেছনে অনেক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। বিশেষ করে “বাবা কেন চাকর” সিনেমার চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে রেকর্ডিং পর্যন্ত আব্বার সঙ্গেই ছিলাম।’

বাবা হিসেবে নায়করাজ রাজ্জাক কেমন ছিলেন জানাতে চাইলে বাপ্পী বলেন, ‘বাবা হিসেবে উনি ছিলেন অসাধারণ। একজন পারফেক্ট বাবা হিসেবে সন্তানদের যেভাবে মানুষ করতে হয়, ঠিক সেভাবেই আমাদের গড়ে তুলেছেন। উনার শাসন যেমন কড়া ছিল, তেমনি সন্তানদের প্রতি ছিল অগাধ ভালোবাসা। সন্তানদের সময় দেওয়া, খোঁজখবর রাখার বিষয়গুলো তিনি খুব খেয়াল রাখতেন। প্রায়ই আমাদের নিয়ে ঢাকার বাইরে ঘুরতে যেতেন।’

চয়নিকার নতুন নাটকে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

চয়নিকার নতুন নাটকে আবুল হায়াত ও ডলি জহুর

কদিন আগেই প্রচারে আসা চয়নিকা চৌধুরীর ‘লাইফ ইজ বিউটিফুল’ নাটকে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত ও ডলি জহুর। এ সপ্তাহে চয়নিকার আরও এক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করলেন তাঁরা। নাটকের নাম ‘আহারে জীবন’। রচনা করেছেন শফিকুর রহমান শান্তনু। নাটকের আরও দুটি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইরফান সাজ্জাদ ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। নির্ম

২১ বছর পর প্লেব্যাকে শানু-উদিত জুটি

২১ বছর পর প্লেব্যাকে শানু-উদিত জুটি

নব্বইয়ের দশকের হিন্দি গানের সোনালি সময়ের কথা উঠলেই অবধারিতভাবে উঠে আসে উদিত নারায়ণ ও কুমার শানুর নাম। দীর্ঘ দুই দশকের বিরতি ভেঙে ফের একসঙ্গে প্লেব্যাক করলেন এ দুই সংগীতশিল্পী। সানি দেওলের আসন্ন ক্রাইম থ্রিলার ‘সুরিয়া: অন্ত সে আরম্ভ তাক’ সিনেমার ‘সুনিয়ো জারা’ গানটি শোনা যাবে তাঁদের কণ্ঠে।

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার প্রদান

ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার প্রদান

গতকাল দুপুর ১২টায় চ্যানেল আই স্টুডিওতে দেওয়া হলো ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার। এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন। রন্ধনশিল্পী কেকা ফেরদৌসীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিক আবদুর রহমান।