এর আগে গতকাল শনিবার মধ্যরাতে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর আজ রোববার সদর মডেল থানার এসআই মো. ফরিদ হোসেন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মব সৃষ্টি করে আসামি ছিনতাই, পুলিশের কাজে বাধা এবং আঘাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ পৌর শহরের তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (২০), তাঁর মা শাম্মী আক্তার পলি, বাবা দেওয়ান শাহরুখ রাজা চৌধুরী, প্রিন্সের ছোট বোন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী, কাওছার আহমদ সোহাগ, ইফাত আলম রাবিদ, শাহরিয়ার সাদি (১৯) ও তাকবির রহমান তানহির।
আজ রোববার দুপুরে শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্সের ছোট বোন স্কুলছাত্রী ছাড়া অন্য সবাইকে সুনামগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতের বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ওসি রতন শেখ বলেন, পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা এবং মব সৃষ্টি করে আসামি ছিনতাইয়ের চেষ্টায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসামি প্রিন্সসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাঁদের জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।
চিকিৎসাকালীন গত বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রিন্সের পরিবারের লোকজন ও বন্ধুরা মিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে মব (উত্তেজিত জনতা) সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এছাড়া হাসপাতালের সুযোগ নিয়ে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা চালান প্রিন্স।

দৈনিক টার্গেট 





















