অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, নৌপরিবহন সচিব মো. আতাউর রহমান খান এবং চীনের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১০ ও ১১ নম্বর জেটি নির্মাণ, কনটেইনার লোডিং-আনলোডিং ইয়ার্ড, বিপজ্জনক পণ্য রাখার ইয়ার্ড এবং ৪৯টি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৫ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা ঘণ্টায় ৩০টিতে উন্নীত হবে। বছরে চার লাখ টিইইউ কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জিত হবে। পাশাপাশি কনটেইনার সংরক্ষণের জায়গা বাড়বে এবং পণ্য ওঠানো-নামানোর ব্যয় কমবে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২ লাখ ২৭ হাজার বর্গমিটার এলাকায় বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে লোডেড কনটেইনার ইয়ার্ড, খালি কনটেইনার ইয়ার্ড, বিপজ্জনক কনটেইনার ইয়ার্ড, অভ্যন্তরীণ সড়ক, প্রশাসনিক ভবন ও কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন (সিএফএস) রয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প এলাকায় একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে দেশ ও জাতির উন্নতি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের উদ্দেশে রওনা দেন।

দৈনিক টার্গেট 






















