আজ রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাবলীগ জামাত বাংলাদেশের সাথীদের পক্ষ থেকে এসব কথা বলেন শফিক বিন নাঈম। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে ইজতেমা করতে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা বন্ধসহ সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়।
শফিক বিন নাঈম বলেন, ‘আমাদের ইজতেমা টঙ্গী মাঠেই হবে। আমরা চাই সরকার দ্রুত তারিখ ঘোষণা করুক। সরকার তারিখ জানিয়ে দিলে সারা বিশ্বে আমরা দাওয়াত দিতে পারব।’
তিনি বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গী ময়দানে সংঘটিত হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলো তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই সা’দপন্থীদের দোষী সাব্যস্ত করে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। তদন্তের আগে কাউকে খুনি বানানো ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মুচলেকার বিষয়ে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ২০২৫ সালের পর টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা না করার বিষয়ে নিজামুদ্দিন অনুসারীদের পক্ষ থেকে কোনো মুচলেকা দেওয়া হয়নি। ইজতেমা ময়দানের মালামাল বুঝে নেওয়ার জন্য দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা পরবর্তী বছর থেকে টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করা হবে না—এমন কোনো মুচলেকা দেননি।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের চিঠিতে এ ধরনের কোনো শর্ত আরোপ করা হয়নি। ২৭ জানুয়ারির চিঠিতে পরবর্তী ইজতেমা না করার শর্ত উল্লেখ থাকলেও নিজামুদ্দিন অনুসারীরা তাতে একমত না হওয়ায় এবং যৌক্তিকতার নিরিখে পরবর্তী চিঠিতে সেই শর্ত প্রত্যাহার করা হয় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মিথ্যা মুচলেকার কথা তুলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং নিজামুদ্দিন অনুসারীদের টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করতে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা পরিত্যাগ করতে হবে।
সা’দ সাহেবের বক্তব্য নিয়ে আপত্তির বিষয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, তিনি একজন প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও দ্বীনের প্রচারক। তাঁর বক্তব্য নিয়ে যারা আপত্তি তুলছেন, তাঁদের সঙ্গে নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতিতে তথ্যভিত্তিক আলোচনা ও দলিল উপস্থাপনের মাধ্যমে বিভ্রান্তি দূর করতে তাঁরা প্রস্তুত।
সংবাদ সম্মেলনে তাবলীগের দুই পক্ষের বিরোধ নিরসনে কয়েকটি প্রস্তাবও তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—দুই পক্ষের টঙ্গী ময়দানে পৃথকভাবে ইজতেমা আয়োজন, কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গী ময়দান দুই গ্রুপের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া এবং এক পক্ষের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অন্য পক্ষের সম্মানহানিকর ও অশালীন মন্তব্য বন্ধ করা।
বক্তারা বলেন, গত পাঁচ বছর নিজামুদ্দিন অনুসারীরা দ্বিতীয় ধাপে ইজতেমা করেছেন। তাই এবার তাঁদের প্রথম ধাপে ইজতেমা করার সুযোগ দেওয়া ইনসাফের দাবি।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তাঁরা বলেন, দ্রুত নিজামুদ্দিন অনুসারীদের ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করতে হবে এবং সমতার ভিত্তিতে তাবলীগের দুই গ্রুপের বিরোধ নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, মুফতি ফয়জুর রহমান, বোরহান ও ড. মো. রেজাউল করিম।
গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আলী পুলিশকে ২০ ভরি সোনা দেওয়ার সময় জানিয়েছেন—বাকি ২০ ভরি সোনা আছে পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনের কাছে। তিনিই সোনার চালানটি নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জাকিরকে জানিয়েছিলেন। সোনা হস্তান্তরের পর জাকির অভিযানের নামে ওই সোনা ছিনিয়ে নেন।
নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম রবু বলেন, প্রথমে তানিশাকে তাঁর মা তানিয়া খাতুন আঁকড়ে ধরেছিলেন। প্রবল স্রোত ও ঝড়ের কারণে একপর্যায়ে শিশুটি তাঁর হাত থেকে ছুটে পানিতে ডুবে যায়। পরে তানিয়া তাকে খুঁজে পেয়ে দুই পা দিয়ে আঁকড়ে ধরে পানির ওপরে তুলে রাখেন।
খাইরুল ইসলাম রোমান বলেন, ‘ফরিদপুরে ফ্যাসিবাদ কায়েমের জন্য মঞ্জুর এলাহিকে সিভিল সার্জন করা হয়েছে। এটা আমরা মেনে নেব না। কোনো অবস্থাতেই তাঁকে ফরিদপুরে আসতে দেওয়া হবে না। মঞ্জুর এলাহির নিয়োগের আদেশ বাতিল করা না হলে ফরিদপুরে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
দৈনিক টার্গেট 












