নিখোঁজ যুবকেরা হলেন ধান্যখোলা গ্রামের আবু মোছার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত, মশিয়ারের ছেলে আনোয়ার হোসেন, আরশাদের ছেলে রানা হোসেন, আব্দুলের ছেলে শাহিন আলম ও হাসেমের ছেলে মেহেদী হাসান। এই পাঁচজনই লিবিয়ায় পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেন ধান্যখোলা গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে সোহাগের মাধ্যমে।
নিখোঁজ যুবকদের পরিবারের সদস্যরা জানান, উন্নত জীবনের আশায় দালাল সোহাগের মাধ্যমে তাঁরা সন্তানদের বিদেশে পাঠান। এ জন্য জমিজমা ও সহায়সম্বল বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করেন। সোহাগের কথামতো তাঁর বাবা, মা ও বোনের হাতেও টাকা দেওয়া হয়।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একই সময়ে লিবিয়ায় যাওয়ার পথে নড়াইল, বাগেরহাট ও ফরিদপুরের আরও প্রায় ৩৫ যুবক নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ শাহিন আলমের মা বলেন, দালালের কথায় ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়ে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়েছেন। এখন ছেলেকেও হারিয়েছেন। স্থানীয় কয়েকজন মাতবর সালিসের নামে আর্থিক সুবিধা নিলেও সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো সহযোগিতা করেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে তিন বছর ধরে এই পাঁচজনের সন্ধান না পেয়ে অবশেষে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। মানব পাচার চক্রের সদস্য সোহাগের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। শার্শা থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশিস সরকার বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানা ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজে এমটি রাসি নামক জাহাজটিকে ট্যাংক পরীক্ষা ছাড়াই বিস্ফোরক অধিদপ্তর সনদ দিয়েছিল। সম্প্রতি ওই জাহাজের বিষাক্ত গ্যাসে ১০ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় এই তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তদন্ত কমিটি।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলি মাথায় বিদ্ধ হয়ে ইমরান হোসেন (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ সময় জাকারিয়া (৩২) নামে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রাত ১২টার দিকে দুজনকেই আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন
দৈনিক টার্গেট 




















