দ্বিতীয় জানাজা শেষে গন্ধমতিতে চিরনিদ্রায় অপ্রতিম, দুপুরে পুলিশের সংবাদ সম্মেলন

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:৩১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ তাকে খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল।

গতকাল শনিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ কোটবাড়ি গন্ধমতিতে তার নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে ভিড় করেন স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে এসে শোক ও কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে।

এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুপুর আড়াইটায় প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

অপ্রতিমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলে শোকের আবহ বিরাজ করছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকাহত মা ড. নাহিদা বেগম ও বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অতিরিক্ত ১ হাজার টন ইউরিয়া বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অক্টোবর মাসের নিয়মিত বরাদ্দের ৩ হাজার ৬৩৯ টন সার আগাম উত্তোলনের অনুমতিও পাওয়া গেছে। সারের কোনো কমতি হবে না। কৃষকদের আশ্বস্ত করতে চাই, রবি মৌসুমেও সারের কোনো সংকট হবে না।

জনপ্রিয় টার্গেট

তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেল টার্গেট আইটি

দ্বিতীয় জানাজা শেষে গন্ধমতিতে চিরনিদ্রায় অপ্রতিম, দুপুরে পুলিশের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশ: ১২:৩১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

অপ্রতিমের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ তাকে খুঁজতে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালায়। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর গতকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল।

গতকাল শনিবার রাতে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ কোটবাড়ি গন্ধমতিতে তার নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে সেখানে ভিড় করেন স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখতে এসে শোক ও কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকে।

এদিকে অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দুপুর আড়াইটায় প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

অপ্রতিমের মৃত্যুতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন মহলে শোকের আবহ বিরাজ করছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকাহত মা ড. নাহিদা বেগম ও বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘অতিরিক্ত ১ হাজার টন ইউরিয়া বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া অক্টোবর মাসের নিয়মিত বরাদ্দের ৩ হাজার ৬৩৯ টন সার আগাম উত্তোলনের অনুমতিও পাওয়া গেছে। সারের কোনো কমতি হবে না। কৃষকদের আশ্বস্ত করতে চাই, রবি মৌসুমেও সারের কোনো সংকট হবে না।