নিহত ব্যক্তিরা হলেন ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের চরকুমারিয়া গ্রামের তামিম মিয়ার স্ত্রী মার্জিয়া খাতুন (২২) এবং ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাধাকানাই গ্রামের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে শহিদুল (৩৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল পৌনে ১০টার দিকে মার্জিয়া তাঁর মামি ও মামাতো বোনের সঙ্গে ভ্যানগাড়িতে করে পোড়াবাড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। দরিরামপুর এলাকায় মহাসড়কের একটি ইউটার্নে ভ্যানগাড়ি থেকে তিনি ছিটকে সড়কে পড়েন। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বৈলর ইউনিয়নের একটি হিফজ মাদ্রাসার সামনে একটি অ্যাম্বুলেন্স পথচারী শহিদুলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।
স্থানীয়রা জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে বৈলর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে দিনমজুরের কাজ করতেন।
ত্রিশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সবুজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মার্জিয়া খাতুনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে শহিদুলের মরদেহ পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।
দুর্ঘটনায় জড়িত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী করিম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম। তিনি বলেন, নিহত করিমের বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতিসহ নয়টি মামলা রয়েছে।
ফরিদপুরে ৯৬৬ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় নয়ন হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
অটোরিকশাচালককে ভেতরে নিয়ে ওই ব্যক্তিরা ২ হাজার ৫০০ টাকা দেন। বাইরে এসে অটোরিকশাচালক সুফিয়া বেগমকে বলেন, ‘চাচি, আমাকে আড়াই হাজার টাকা দিছে। আপনিও যান।’
দৈনিক টার্গেট 
















