খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা, পালানোর সময় দুর্বৃত্তদের ধাওয়া পুলিশের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত হয়েছে

নিহত জলিল মুন্সি কুলিবাগান এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সকাল সোয়া ৮টার দিকে জলিল মুন্সি কুলিবাগান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনজন একটি মোটরসাইকেলে করে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গুলিতে জলিল মুন্সির বুকের ডান পাশের ওপরের অংশ ও পিঠের বাম পাশে জখম হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার সময় দৌলতপুর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। তারা গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজনকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ধাওয়া খেয়ে দৌলতপুর থানার মধ্যডাঙ্গা এলাকার মৃত সালামের ছেলে মো. রাসেল (৩২), আসিফ মোল্লা (২৫) ও অজ্ঞাতনামা আরেক যুবক মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আসিফ ও অজ্ঞাতনামা যুবক মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান। আর পিস্তলধারী রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেলকে পুলিশ ধাওয়া করলে তিনি পিস্তল নিয়ে পাশের একটি বস্তিতে পালিয়ে যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, রাসেলকে ১৫ দিন আগে দৌলতপুর থানা পুলিশ আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছিল। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি ঘাট থেকে ১২৩ জন একটি বাল্কহেডে করে নৌভ্রমণে বের হন। তাঁরা ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর এলাকা ঘুরে রাতে ফিরছিলেন। রাত ৯টার দিকে হার্ডিঞ্জ সেতু এলাকায় পৌঁছালে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে বাল্কহেডটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ৪ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।

পাঁচ মামলায় আদালতে সাজা হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি আছে। তারপরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক যুবদল নেতা। তাঁর নাম শাহীন আলম। তিনি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক। এরই মধ্যে ৪ সেপ্টেম্বর মোহনপুর থানার ওসি মিজানুর রহমানের পাশে তাঁকে দেখা গেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

কেশবপুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা, পালানোর সময় দুর্বৃত্তদের ধাওয়া পুলিশের

প্রকাশ: ১২:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিহত জলিল মুন্সি কুলিবাগান এলাকার দিলু মুন্সির ছেলে। দৌলতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সকাল সোয়া ৮টার দিকে জলিল মুন্সি কুলিবাগান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনজন একটি মোটরসাইকেলে করে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

গুলিতে জলিল মুন্সির বুকের ডান পাশের ওপরের অংশ ও পিঠের বাম পাশে জখম হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ঘটনার সময় দৌলতপুর থানার সাদা পোশাকের পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করছিল। তারা গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজনকে দেখতে পেয়ে ধাওয়া করে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ধাওয়া খেয়ে দৌলতপুর থানার মধ্যডাঙ্গা এলাকার মৃত সালামের ছেলে মো. রাসেল (৩২), আসিফ মোল্লা (২৫) ও অজ্ঞাতনামা আরেক যুবক মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আসিফ ও অজ্ঞাতনামা যুবক মোটরসাইকেলে পালিয়ে যান। আর পিস্তলধারী রাসেল ওরফে পিচ্চি রাসেলকে পুলিশ ধাওয়া করলে তিনি পিস্তল নিয়ে পাশের একটি বস্তিতে পালিয়ে যান বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, রাসেলকে ১৫ দিন আগে দৌলতপুর থানা পুলিশ আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছিল। সম্প্রতি তিনি জামিনে মুক্তি পান।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কাতলাগাড়ি ঘাট থেকে ১২৩ জন একটি বাল্কহেডে করে নৌভ্রমণে বের হন। তাঁরা ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর এলাকা ঘুরে রাতে ফিরছিলেন। রাত ৯টার দিকে হার্ডিঞ্জ সেতু এলাকায় পৌঁছালে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে বাল্কহেডটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ৪ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।

পাঁচ মামলায় আদালতে সাজা হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি আছে। তারপরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক যুবদল নেতা। তাঁর নাম শাহীন আলম। তিনি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক। এরই মধ্যে ৪ সেপ্টেম্বর মোহনপুর থানার ওসি মিজানুর রহমানের পাশে তাঁকে দেখা গেছে।