অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, যানজট

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১০ বার পঠিত হয়েছে

এ সময় শিক্ষার্থীদের অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন।

অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে তল্লাশি চালান। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আজ রোববার দুপুর আড়াইটায় প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বগুড়ার শেরপুরে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল চারতলা ট্রমা সেন্টার। ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শেষ করে ভবনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে গেলেও সেখানে চালু হয়নি ট্রমা রোগীদের ভর্তি ও জরুরি….

জনপ্রিয় টার্গেট

তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেল টার্গেট আইটি

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, যানজট

প্রকাশ: ০১:০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ সময় শিক্ষার্থীদের অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন।

অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা ড. নাহিদা বেগম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতিম। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই তার বাবা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে তল্লাশি চালান। নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কিছু ক্লু পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আজ রোববার দুপুর আড়াইটায় প্রেস ব্রিফিং করার কথা রয়েছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য বগুড়ার শেরপুরে প্রায় ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল চারতলা ট্রমা সেন্টার। ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শেষ করে ভবনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু সাত বছর পেরিয়ে গেলেও সেখানে চালু হয়নি ট্রমা রোগীদের ভর্তি ও জরুরি….