নিহত জেলেরা হলেন—মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের খোন্দকারপাড়ার মৃত মতলব হোসেনের ছেলে ফয়েজ আহমদ এবং মেহেরিয়াপাড়ার সোহাগ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন—একই ইউনিয়নের জাগিরাঘোনা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে মহিবুল্লাহ এবং খোন্দকারপাড়া এলাকার মৃত মুজিবুর রহমানের ছেলে নুরুল আলম।
পুলিশ ও স্থানীয় জেলেদের সূত্রে জানা গেছে, কুতুবজোমের ফরিদুল আলমের মালিকানাধীন ‘এফবি তাহসিন’ নামের ট্রলারটি আটজন মাঝিমাল্লা নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যায়। বৃহস্পতিবার ভোরে সোনাদিয়া চ্যানেলে ট্রলারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ডুবে যায়।
এ সময় আশপাশে থাকা অন্য মাছ ধরার ট্রলারের জেলেরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে আরও দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে দুই জেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সুলতান বলেন, স্থানীয় জেলেরা দুই জেলের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। নিখোঁজ দুই জেলের সন্ধানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঝোড়ো হাওয়া ও তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি ডুবে গেছে।’
নিরাপত্তার স্বার্থে হ্যান্ডব্যাগ, ট্রলি, বড় ভ্যানিটি ব্যাগ, পোঁটলা, দাহ্য পদার্থ, ছুরি, অস্ত্র, কাঁচি, ক্ষয়কারক তরল, ব্লেড, দেশলাই ও গ্যাস লাইটারসহ কোনো ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ সামগ্রী সঙ্গে নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া যাবে না।
সেলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল কাদের ঘরামী বলেন, ‘গ্রামের কেউ অসুস্থ হলে গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। খাট কিংবা চেয়ারে বসিয়ে কাঁধে করে রোগীকে নিয়ে যেতে হয়। সড়কের কিছু জায়গায় বালুর বস্তা, গাছ ও বাঁশ দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করতে হচ্ছে।’
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী ছাত্র হাফেজি পাস করার পর ভালোভাবে কোরআন মুখস্থ করতে প্রায় এক বছর আগে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, গত এক বছর ধরে শিক্ষক রফিকুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন।
দৈনিক টার্গেট 




















