বুধবার আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ বলেন, শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর কথা স্বীকার করেছেন খালিদ হাসান। এ কারণে তাঁকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর ভাগনিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনি শহীদ আবদুল্লাহর ওপর চড়াও হয়েছিলেন। এদিকে একই ঘটনায় শহীদ আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডি থানার পুলিশ। পরে তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
শহীদ আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলা ওই তরুণী জানান, তিনি তাঁকে ‘ব্যাড টাচ’ বা খারাপভাবে স্পর্শ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাঁকে আটক করতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণী। পরে তিনি ফোন করে তাঁর মামা খালিদ হাসানকে ডেকে আনেন। ভাগনিকে রক্ষা করতে এসে খালিদ শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন।
খালিদকে কারাদণ্ড দেওয়ার পর ওই তরুণী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট মামাকে ১৫ দিনের জেল দিয়ে দিয়েছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কান্নাকাটি করে বলেছিলাম, ‘আমাকে নিয়ে যান, আমার মামাকে ছেড়ে দেন।’ আমাকে রক্ষা করতেই তো তিনি এসেছেন। আমার জন্যই তো তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা শুনলেন না।
তরুণী প্রশ্ন তোলেন, তাঁকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা নীরব ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিও জানতে চান তিনি।
এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বলেন, ঘটনাস্থলে আবদুল হাইয়ের দায়িত্ব ছিল। এ কারণে তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের অন্য দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগ) হওয়ায় তাঁদের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।
এর আগে ওসি ইমদাদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকেন। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত। এমবিবিএস পড়ার সময় তাঁর এ সমস্যা দেখা দেয়। পরে বিয়ে হলেও তাঁর সংসার টেকেনি।
ময়মনসিংহে হাত ধোয়ার অভ্যাসে ঘাটতি, নির্দিষ্ট স্থানে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ না থাকায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। বিশেষ করে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ জনবহুল এলাকায় হাত ধোয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় উদ্বেগের দেখা দিয়েছে।
জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী আলফাজ আহম্মেদ। পারিবারিক সহযোগিতা ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। এখন তিনি নিজ এলাকা কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গোসাইডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
‘মনে হচ্ছিল, আকাশ ভেঙে পড়েছে। আর প্রচণ্ড আঘাতে ডান পা’টা হাঁটুর পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ছাদের ভাঙা একটা টুকরা এসে পড়েছিল আমার পায়ে। চারদিকে আর্তনাদ। কেউ বাঁচার জন্য আকুতি জানাচ্ছিলেন, কারও কণ্ঠস্বর কয়েকবার আর্তচিৎকারের পরই থেমে যাচ্ছিল। ঘোর অন্ধকারে কে কোথায় পড়ে আছেন, কার কী অবস্থা—কিছুই বোঝার
দৈনিক টার্গেট 





















