আলোচনা সভায় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘সাংস্কৃতিক লড়াই সব লড়াইয়ের ভিত্তি। খেয়াল করি আর না করি, এই লড়াই চলছে। এই লড়াই শুধু মাঠে-ময়দানে হয়, তা নয়। এই লড়াই চায়ের দোকানে, পত্রিকায়, ফেসবুকে হয়।’
বাউলশিল্পী আবুল সরকার মহারাজ বলেন, ‘আমি গান করতে পারি। এইটাই আমার অস্ত্র। আমি পাঁচ মাস জেল খেটেছি, সেখানে আমার কতটুকু দোষ ছিল সেই ব্যাখ্যা আমি না দিই। কিন্তু আমি যে জেলমুক্ত, আমি আসলে বন্দীই আছি। আমি ওইদিন জেল থেকে মুক্তি পাব, যেদিন আমি গাইতে, নাচতে, বুক ফুলিয়ে স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারব।’
লেখক রণজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘দুই ধরনের শিল্পী-সাহিত্যিক বিরাজমান। জনগণের কথা বলে প্রগতিশীল সংস্কৃতির মানুষ। আর প্রতিক্রিয়াশীল সংস্কৃতি জনগণকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে চিন্তা-চেতনা ভোঁতা করে দেয়। তারা এটি করে জনগণের ওপর শোষণ ও নিপীড়ন টিকিয়ে রেখে নিজেদের ভোগবিলাস অব্যাহত রাখতে।’
জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মোহন রায়হান বলেন, ‘১৭ বছর ধরে চলে আসা স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমরা কলম ধরেছি। আজ বর্তমান সরকার যদি বিশেষ গোষ্ঠীকে দলদাস বানাতে চায়, ক্ষমতাকে অন্যায়ভাবে হাতিয়ারে পরিণত করতে চায়, তবে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য রুখে দাঁড়াবে।
নৃত্যশিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাজু আহমেদ বলেন, ‘মাসখানেক আগে আমাদের বাসায় মাদ্রাসায় পড়া একটি ছোট্ট শিশু আমার মেয়েকে এসে বলেছে তার শিক্ষকেরা বলেছেন, নাচ ভালো না। আমার কাছে যে মেয়েটা নাচ শিখত, তার বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়ি নাচ সমর্থন করল না। …সবার জন্যই বাংলাদেশ। সবাই স্বাধীনভাবে কথা বলা, নাচ-গানের অধিকার পাক।’
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের আহ্বায়ক জামশেদ আনোয়ার তপনের সভাপতিত্বে আয়োজন সঞ্চালনা করেন ঐক্যের সদস্যসচিব মফিজুর রহমান লালটু। জাতীয় কনভেনশন কার্যক্রমের শুরুর দিকে ছিল গণসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক স্কোয়াডের পাহাড়ি নৃত্য পরিবেশনা।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা রাজধানী ঢাকাসহ চট্টগ্রাম ও গাজীপুরে মিছিল ও জমায়েতের চেষ্টা করেছেন। এসব ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর পাশাপাশি গুলশানে পাঁচটি ককটেল উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ…
আলম হাজারী আওয়ামী লীগ আমলে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর দেবিদ্বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বাসায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন তিনি।
দৈনিক টার্গেট 




















