রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠায় কুলিয়ারচর থানা-পুলিশ।
গ্রেপ্তার সবিজ মিয়া উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী গ্রামের মৃত মিরা গাজীর ছেলে। অন্যদিকে হাতেম আলী পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর কুলিয়ারচরের মাধবদী গ্রামে হাতকড়াসহ আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় সবিজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওই দিন দুপুরে রেনু মিয়াকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের দাবি, হাতকড়া পরানো অবস্থায় তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দেন এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ান। এ সময় সুযোগ বুঝে তিনি পালিয়ে যান। পরে ওই রাতেই তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা, হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। ঘটনার সময় এসআই শরাফিন মিয়াসহ পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, গত ১১ অক্টোবর কুলিয়ারচরের পূর্ব গোবরিয়া এলাকার শান্তি মোড়ে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় করা মামলায় হাতেম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ মামলায় এর আগে ছয়সূতি ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এবার হাতেম আলীকে গ্রেপ্তার করা হলো।
কুলিয়ারচর থানার ওসি মোজাম্মেল হক বলেন, পৃথক দুটি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সবিজ মিয়া ও হাতেম আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এসব ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দৈনিক টার্গেট 





















