জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি পালিত হবে। গত বছর থেকে দিনটি সরকারিভাবে ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এ বছরও দেশের সরকারি দপ্তর, অফিস ও প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
তবে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও দেশের জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবাগুলো সচল রাখতে নির্দিষ্ট কিছু খাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালন অব্যাহত থাকবে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের জন্য সাধারণ ছুটি কার্যকর হবে না; তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী স্বাভাবিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
যেসব খাত সাধারণ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে, তার মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রম, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, সমুদ্র ও স্থলবন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহন, কারা প্রশাসন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এসব সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা বহাল থাকবে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, এ বছর ৫ আগস্ট বুধবার হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য দীর্ঘ ছুটির সুযোগও তৈরি হতে পারে। কারণ, পরদিন বৃহস্পতিবার কেউ ব্যক্তিগত বা অর্জিত ছুটি গ্রহণ করলে বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা চার দিনের অবকাশ উপভোগ করার সুযোগ মিলতে পারে, যদিও এটি সম্পূর্ণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
অন্যদিকে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৫ আগস্টের ছুটি বাধ্যতামূলক নয়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব প্রশাসনিক নীতিমালা, কার্যক্রমের প্রয়োজন এবং ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছুটি ঘোষণা বা অফিস খোলা রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারি সাধারণ ছুটি পালিত হলেও জরুরি সেবাগুলো চালু থাকায় নাগরিকদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে বড় ধরনের কোনো বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরগুলো ছুটির পর স্বাভাবিক কার্যক্রমে দ্রুত ফিরে আসার প্রস্তুতিও রাখবে।
দৈনিক টার্গেট 













